বাংলায় রামায়ণ রচয়িতা আদি কবি কৃত্তিবাস ওঝার পূর্ণ বয়ব মূর্তি প্রতিষ্ঠা উপলক্ষে, কবি কৃত্তিবাসের অস্থি সমাধি ক্ষেত্র ফুলিয়া হরিপাট মন্দির থেকে মাটি নিয়ে মাথায় করে দীর্ঘ ৪ কিলোমিটার পথ পায়ে হেঁটে মূর্তি স্থাপনের জায়গায় নিবেদন।

বাংলায় রামায়ণ রচয়িতা আদি কবি কৃত্তিবাস ওঝার পূর্ণ বয়ব মূর্তি প্রতিষ্ঠা উপলক্ষে, কবি কৃত্তিবাসের অস্থি সমাধি ক্ষেত্র ফুলিয়া হরিপাট মন্দির থেকে মাটি নিয়ে মাথায় করে দীর্ঘ ৪ কিলোমিটার পথ পায়ে হেঁটে মূর্তি স্থাপনের জায়গায় নিবেদন। এদিন রানাঘাট উত্তর-পশ্চিমের বিধায়ক পার্থসারথি চট্টোপাধ্যায় নিজে অস্থি সমাধি থেকে মাটি সংগ্রহ করে দীর্ঘ চার কিলোমিটার পথ পায়ে হেঁটে পৌঁছন মূর্তি স্থাপনের জায়গায়। হরিনাম সংকীর্তন বিশেষ তাবলো এবং প্রায় এক হাজার মানুষের সমাগম ঘটে এই পদযাত্রায়। বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার মধ্যে দিয়ে ফুলিয়া বয়রা থেকে ফুলিয়া জনরঞ্জন কেন্দ্রের পাশে আই লাভ ফুলিয়া সেলফিজোনে এই মাটি নিয়ে যাওয়া হয়। এদিনের এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শান্তিপুর পঞ্চায়েত সমিতির সহকারী সভাপতি চঞ্চল চক্রবর্তী, কুলিয়া টাউনশিপ গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান সহ একাধিক সদস্যরা। আগামী ডিসেম্বরে মূর্তির স্থাপন করা হবে তার আগে কৃত্তিবাসের অস্থি সমাধি মন্দির থেকে মাটি সংগ্রহ করা হলো। এবং নিবেদন করা হলো ভিত্তি প্রস্তরে।