দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন করে রাখায় বিক্ষোভ সাধারণ মানুষের দাবি বিদ্যুৎ দিন

মলয় দে নদীয়া:- নদীয়া জেলার কৃষ্ণনগর শহরের বিদ্যুৎ সাপ্লাই অফিসে বিক্ষোভ দেখালো সাধারণ গ্রাহকরা অভিযোগ ইলেকট্রিক সাপ্লাইসিটি বোর্ড থেকে দীর্ঘ সময় ধরে ঘন্টার পর ঘন্টা লাইন বন্ধ করে রাখছে এই ঘটনায় দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় দপ্তরে অভিযোগ জানালেও কোনরকম শুরাহা মেলেনি। মিলেছে শুধু অসম্মান। এরপর বিদ্যুৎ গ্রাহকেরা ইলেকট্রিক সাপ্লাইসিটি নদীয়া জেলার মেন দপ্তরের এসে বিক্ষোভ দেখালেন তবে এই বিক্ষোভ দেখান তে এসে তাদের দাবি সক্রিয় দপ্তরের আধিকারিক তিনি দেখা না করেই আমরা এসেছি দেখে পালিয়ে গেছেন পেছনে রাস্তা দিয়ে। ঘটনা সত্যতা যাচাই করতে আমরা গিয়েছিলাম সেই দপ্তরে গিয়ে দেখা মিলল পাখা লাইট জ্বললেও দপ্তরে নেই কোন লোক বা আধিকারিক। তবে তাদের দাবি বিদ্যুতের অতিরিক্ত হারে বিল আসা এবং সেই বিল দিতে না পারলে পরবর্তী সময়ে লাইন কেটে দিয়ে যাই তাদের অভিযোগ শক্তিনগর এলাকার একাধিক মানুষ জড়িয়ে রয়েছে বিভিন্ন শিল্পের মাধ্যমে। তার মধ্যে রয়েছে গেঞ্জি এবং বিভিন্ন জায়গায় কাজে গিয়ে সেখানে যখন দেখেন কারেন্ট নেই মেশিন চালাতে না পারলে তাদের বেতন হবে না এর ফলে তাদের দিনের পর দিন এই হয়। তারা বেতন না পাওয়ার ফলে বিদ্যুতের বিল দিতে পারেন না তাদের দাবি একবার কারেন্ট গেলে দুই থেকে পাঁচ ঘন্টার অধিক সময় ধরে লাইন আসে না তাই বাধ্য হয়ে আজকে আমরা এসেছিলাম অর্থাৎ বিক্ষোভকারী আন্দোলনকারীরা এসেছিলেন বিক্ষোভ দেখাতে ঘটনার খবর পেয়ে তড়িঘড়ি পৌঁছয় কৃষ্ণনগর করতালি থানার পুলিশ। পরিস্থিতি সামাল দিয়ে সেখান থেকে চলে গেলেও আন্দোলনকারীরা দীর্ঘ সময় পুনরায় গেটের সামনে বিক্ষোভ দেখান তাদের একটাই দাবি বিদ্যুৎ দিন যদিও বিদ্যুৎ দপ্তরে আধিকারিক এর সাথে ফোনে কথা বললে জানা যায় তার দাবি অতিরিক্ত ঝড়ের জন্য কোথাও পোল ভেঙে গেলে বা কোন ফল্ট হলে তবেই লাইন যায় এক্ষেত্রে তাদের কোন কিছু করার নেই। এছাড়াও অতিরিক্ত লোড হয়ে গেলে তখন কারেন্ট যায় বলে জানান সক্রিয় দপ্তরের আধিকারিক নদীয়া জেলা। তবে এইভাবে কি তাই এড়ানো যায় প্রশ্ন তুলছেন সাধারণ মানুষ থেকে আন্দোলনকারীরা