কোভীড অতিমারি কাটিয়ে প্রায় দুবছর পর সরকারি নির্দেশে বিদ্যালয় গুলি খুললেও বড় বড় বিদ্যালয় গুলি নিজেদের আর্থীক জোরে পড়ুয়াদের সুরক্ষার দিকে লক্ষ রেখে বিদ্যালয় পরিষ্কার পরিচ্ছনতার বিষয়ে জোর দিলেও। জেলার সর্বত্র ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা অসংখ্য সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় গুলি সে সমর্থ্য না থাকায় পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা থেকে বাথরুম সমস্যা কাটিয়ে ওঠা এক প্রকার তলানীতে। তবু ও বিদ্যালয় গুলিতে শিক্ষক শিক্ষিকা থেকে কচিকাচা পড়ুয়াদের আনাগোনায় ফের কলতানে মুখরিত বিদ্যালয় প্রাংগন।

কোভীড অতিমারি কাটিয়ে প্রায় দুবছর পর সরকারি নির্দেশে বিদ্যালয় গুলি খুললেও বড় বড় বিদ্যালয় গুলি নিজেদের আর্থীক জোরে পড়ুয়াদের সুরক্ষার দিকে লক্ষ রেখে বিদ্যালয় পরিষ্কার পরিচ্ছনতার বিষয়ে জোর দিলেও। জেলার সর্বত্র ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা অসংখ্য সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় গুলি সে সমর্থ্য না থাকায় পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা থেকে বাথরুম সমস্যা কাটিয়ে ওঠা এক প্রকার তলানীতে। তবু ও বিদ্যালয় গুলিতে শিক্ষক শিক্ষিকা থেকে কচিকাচা পড়ুয়াদের আনাগোনায় ফের কলতানে মুখরিত বিদ্যালয় প্রাংগন।

যদিও সমস্যা বিস্তর।তবুও
জনদরদি সরকার এই সমস্যার কাটিয়ে ওঠার জন্য দরাজ হাতে এগিয়ে আসতে কোন কার্পন্য করেনি।
দক্ষিন দিনাজপুর জেলার ১৭ টি সার্কেলের প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলির পরিকাঠামো ফের শিক্ষামুখী করে তোলার জন্য প্রায় ৭ কোটি টাকা ইতিমধ্যে নেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের কাছে পাঠিয়ে দিয়েছে। এখন প্রাথমিক শিক্ষা সংসদ সব সার্কেলের বিদ্যালয় গুলির হালত খতিয়ে দেখে জরুরি ভিত্তিতে কাজে নামার তালিকা তৈরি করে কাজে নামতে চলেছে। এর ফলে খুশি শিক্ষক মহল থেকে অভিভাবক মহল। তারা এরজন্য সরকারকে সাধুবাদ জানাতে ভোলেন নি।

কোভীড অতিমারি সক্রমন রুখতে ২০২০ এর ২০ মার্চ থেকে দেশব্যাপি লকডাউন শুরু। সেই শুরুর শেষ গিয়ে থামল ২০২২ এর ফেব্রুয়ারী তে এসে। শেষ মেষ দীর্ঘ দুবছর পর যদিও গ্রাম গঞ্জ থেকে শহরের পড়ুয়াদের অভিভাবকরা তাদের বিদ্যালয় মুখী করে তুলেছেন।মনে রাখতে হবে সরকারি প্রাইমারী বিদ্যালয় গুলিতে নিম্ন দারিদ্র শ্রেনীর পড়ুয়ারাই বেশির ভাগ পড়াশোনা করতে আসে। তাই হয়তো সব পড়ুয়াই ফের স্কুল মুখী হয়নি। অনেকে দীর্ঘ লকডাউন পিরিয়ডে বিদ্যালয় বন্ধ থাকায় পড়াশোনা ছেড়ে দিয়ে বাড়ির কাজে হাত লাগিয়েছে। তাদের ফিরিয়ে আনাও শিক্ষকদের আজ বড় কাজ। করোনা আমাদের অনেক কিছুই কেড়ে নিয়েছে। সেরকম এদের ও পড়াশোনা কেড়ে নিয়েছে। যদিও অনলাইনে পড়াশোনা দীর্ঘ এই সময়ে চললেও এই সব ক্ষুদে পড়ুয়াদের পরিবারের সেই সামর্থ্য না থাকায় তাই অনেক পড়ুয়াই আজ স্কুল ছুট হয়ে গেছে। পাশাপাশি স্কুলের পরিকাঠামোগত পরিবেশ দ্রুত শিক্ষামুখী না করে তুললে যে সব কচিকাচারা যাবতীয় সমস্যা মেনে নিয়েও স্কুলে পড়াশোনা করতে আসছে। তারা যেন তা বজায় রাখে পাশাপাশি স্কুল ছুট পড়ুয়াদের ও স্কুল মুখী নিয়ে আসার জন্য নিজেদের ও অন্যদের কাছে দৃষ্টান্ত হয়ে উঠবে এটাই এখন জেলার শিক্ষানুরাগী মহলের একাংশের আশা।