বই নিয়ে স্কুলে পড়াশোনা নয় চলছে হাওয়া খাওয়া। শান্তিপুর পৌরসভার দু নম্বর এবং তিন নম্বর ওয়ার্ডের সংযোগস্থলে অবস্থিত বাইগাছি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চলে 202 এবং 432 নাম্বার অঙ্গনওয়ারী সেন্টার। শতাধিক শিশু নিয়ে চলে এই সেন্টার। প্রতিবার গ্রীষ্মকালে একই সমস্যা হওয়ার কারণে, অভিভাবকরা হাজার বার বলেও সমস্যার সমাধান হয়নি, তাই বাধ্য হয়ে তারা আজ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের গেটে ধরনা দিয়েছেন, ফ্যান চালানোর দাবিতে। অভিভাবকদের সাফ কথা, প্রাথমিক বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বিল দেবে না অঙ্গনওয়াড়ি দেবে সেটা আমাদের জানার কথা নয়, এই গরমের মধ্যেও কেনো ইলেকট্রিক বন্ধ রাখা হয়েছে তার কৈফত চাই। ছোট ছোট দুধের শিশুরা অসুস্থ হয়ে পড়ছে, আর কিছুক্ষণ বাদেই প্রাইমারি স্কুলের অপেক্ষাকৃত বড় শিশুদের ফ্যানের হাওয়া দেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। এ ব্যবস্থার প্রতিকার চাই।
সীমা সাহা অধিকারী এবং শম্পা মাহাতো দুই অঙ্গনওয়ারী কেন্দ্রের দায়িত্বে থাকা শিক্ষিকারা জানান, লিখিতভাবে কোনদিন জানানো হয়নি, তবে মৌখিকভাবে স্থানীয় কাউন্সিলর আইসিডিএস অফিস সব জায়গায় জানিয়েছি কেউ কোনো গুরুত্ব দিয়ে দেখেনি আর আমাদের ক্ষেত্রে জবাবদিহি করতে হয় প্রতি মুহূর্তে। এ বিষয়ে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক রহমত আলী জানান, এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষিকা আলপনা বিশ্বাস পুরোপুরি বলতে পারবেন তবে, বাচ্চারা যে গরমের মধ্যে ক্লাস করেন সে কথা স্বীকার করেন তিনি।
স্কুলের বই পড়াশোনার বদলে খাওয়া খাওয়ার কাজে লাগছে। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ অনুযায়ী এগারোটার মধ্যে বিদ্যালয়ে উপস্থিত হওয়ার কথা থাকলেও, ওই বিদ্যালয়ে মোট 5 জন শিক্ষক শিক্ষিকা থাকলেও এগারোটার মধ্যে একমাত্র রহমত আলী ছাড়া অন্য কাউকে উপস্থিত হতে দেখা যায়নি।

