মলয় দে নদীয়া :-সরকারের বরাদ্দ ঘরের জন্য কাটমানি বাবদ ২০ হাজার দিতে রাজি না হওয়ায এক যুবককে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে গিয়ে বেধড়ক মারধর করার অভিযোগ উঠেছে দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে নদীয়ার শান্তিপুর থানার ফুলিয়া পাড়া এলাকায়।গুরুতর জখম অবস্থায় ওই যুবক বর্তমানে রানাঘাট মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই যুবকের নাম হরিদাস রাজবংশী।ফুলিয়াপাড়া এলাকাতেই তার বাড়ি। ওই যুবক অভিযোগ করেছেন,’ মঙ্গলবার রাত সাতটা নাগাদ আমি বাড়িতেই ছিলাম। সেই সময় সদানন্দ নামে এক যুবক আমাকে বাড়ি থেকে ডাকে। এরপর আম বাগানে নিয়ে গিয়ে আমাকে বলে,তোর জন্য সরকারি ঘর বরাদ্দ হয়েছে।তোকে কুড়ি হাজার টাকা দিতে হবে। আমি দিতে রাজি না হওয়ায় ওরা আমাকে বেধড়ক মারধোর করে।রিভলবার দেখিয়ে আমাকে খুনের হুমকি দেয়। গুরুতর জখম অবস্থায় আমি ওইখানেই পড়ে যাই। ঘরের জন্য আমি কাঠমানি দিতে রাজি না হওয়ায় আমাকে এইভাবে মারধর করা হয়েছে। বর্তমানে আমি রানাঘাট মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি রয়েছি।’ হরিদাস রাজবংশীর মা শান্তিপুর থানায় ৫ জনের নামে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
প্রহত হরিদাসের পিতা নিতাই রাজবংশী বলেন “সরকারি ঘর পেতেও লাগবে টাকা! তাও আবার মারধর করে? দোষীর শাস্তি চাই।”
মা জয় ধ্বনি রাজবংশী বলেন, আমরাও দীর্ঘদিন ধরে তৃণমূল করি, তবুও ওরা কিভাবে মারলো আমার ছেলেকে এটাই বুঝে উঠতে পারছিনা!
বৌদি সুন্দরী রাজবংশী বলেন, পঞ্চায়েত সদস্যর মধুতেই ওরা এই জুলুম করেছে।
যদিও এ বিষয়ে পঞ্চায়েত সদস্য স্বপ্না বসাকের স্বামী দিলীপ বসাক দাবি করেন, ওরাও তৃণমূল করে, অত্যন্ত সুসম্পর্ক আমাদের সাথে, ওদের ঘরের লিস্ট আমরাই করি। তৃণমূল কে বদনাম করতে, বিজেপি সুপরিকল্পিতভাবে ওই যুবকদের ভুল পথে পরিচালনা করেছে বলেই আমার মনে হয়। আমরা ঘরোয়াভাবে ওদের সঙ্গে কথা বলছি দলের ঊর্ধ্বতন নেতৃত্বে সাথে কথা বলে।

