গৃহহীন হোক বা অত্যাচারিত ,ভবঘুরেদের দিশা দেখাচ্ছে “দিশারী”

মলয় দে নদীয়া:-আনুষ্ঠানিক ভাবে উদ্বোধন হয়েছে শান্তিপুর সূত্রাগর নতুন হাট মোড়ে ভবঘুরেদের আশ্রয় শিবির দিশারী । সে সকল মানুষ গুলো সাধারণ জীবন যাপন থেকে অর্থাৎ জীবনের মূল স্রোত থেকে কোনো বিশেষ কারণ বশত বিচ্ছিন্ন , রাস্তায় ঘুরে বেড়ান , রাস্তাতেই খাদ্য গ্রহণ করেন , অভাব যাদের সর্বক্ষণের সঙ্গী , যাদের মাথার ওপর ছাদ মানে খোলা আকাশ — একমাত্র সমাজের সমস্ত দিক দিয়ে অর্থাৎ শারীরিক , মানসিক ও অর্থনৈতিক দিক দিয়ে পিছিয়ে পড়া সমাজের অনগ্রসর সম্প্রদায়ের উদ্দেশ্যে কেন্দ্রীয় দিন্দয়াল উপাধ্যায় নামাঙ্কিত প্রকল্প পশ্চিমবঙ্গ সরকারের নেতৃত্বাধীন ও শান্তিপুর পৌরসভার তত্ত্বাবধানে শান্তিপুর দিশারী র কর্মকাণ্ড বাস্তবে রূপায়ণ হয়েছে ।
সূত্রের খবর যে সমস্ত মানুষ এখানে থাকবেন তারা পাবেন দিনে দুবার পরিমিত আহার , যথেষ্ট ভালো ঘরে বসবাস এবং তাদের কোনো শারীরিক সমস্যা হলেও চিকিৎসা ঔষধ পত্র পাবেন। তবে মনোরঞ্জনের জন্য এখনো টেলিভিশন রেডিও এ ধরনের ব্যবস্থা, করা সম্ভব হয়ে ওঠেনি তবে, জেলার অন্যান্য পুরাতন ইউনিট গুলি থেকে আশাবাদী হওয়া যায় আগামীতে তা অবশ্যম্ভাবী। শান্তিপুর পৌরসভার সমস্ত পরিষেবার মধ্যে একটি একটি অন্যতম পরিষেবা, যা পৌরসভার তিন জন এবং আয়োজক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের এক আধিকারিকের এই চারজন মিলে দিয়ে চলেছেন পরিষেবা, কোন দিন 15-20 জন কখনোবা 6 -7 জন, এভাবেই যাওয়া-আসা চলছে । তবে শান্তিপুরের বাইরে থেকে আসা সমস্যাসঙ্কুল পরিবেশে কোনো মানুষের যদি হঠাৎ বিশেষ প্রয়োজনে শান্তিপুরে থাকার প্রয়োজন পড়ে তিনিও এই আশ্রয় শিবিরে নির্দ্বিধায় আশ্রয় নিতে পারেন , তবে নির্দিষ্ট কারণ অবশ্যই দেখতে হবে । এমনটাই জানা যাচ্ছে উক্ত ভবনে দায়িত্বে থাকা আধিকারিকদের সূত্রে । তবে তিনি বারবার উল্লেখ করেন এটি কোন স্থায়ী ব্যবস্থা নয় বা বৃদ্ধাশ্রম নয়!
শান্তিপুরে বিভিন্ন বিষয়ে কাজ করা স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের বিভিন্ন সদস্যরা সাধুবাদ জানিয়েছেন এই উদ্যোগকে, কারণ কাজের সুবাদে তাদের কাছেই প্রথম খবর যায় সমস্যাসংকুল মানুষের, কিন্তু তাদের থাখার ব্যবস্থা হতো না এতদিন!
এখন এক নজরে দেখে নেওয়া যাক তার আমাদের সংবাদ মাধ্যমের প্রতিনিধিকে কি জানালেন ।