লরি চালককের অসাবধানতায়, ইলেকট্রিকের তারে বেঁধে পোল উপড়ে এসে পড়ল রাস্তায়! বড়সড় দুর্ঘটনার হাত থেকে বাঁচলো পথচারীরা

মলয় দে নদীয়া :-লরি চালকের অসাবধানতাই বড়সড় দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা পেল পথচলতি সাধারণ মানুষ ঘটনাটি শান্তিপুর গুপ্তিপাড়া সংলগ্ন ইটভাটা মোড় এলাকায়। স্থানীয়দের অভিযোগ ইটভাটা থেকে মালবাহী একটি ফুল পাঞ্জাব লরি রাস্তার দিকে আসছিলো তখনই রাস্তার উপর দিয়ে যাওয়া ইলেকট্রিক তারে লরিটি আটকে যায়। কিন্তু লড়িচালকের গাফিলতিতে লরি টিকে চালিয়ে নিয়ে যায় বেশ খানিকটা! যার কারণে ইলেকট্রিক তার সহ ইলেকট্রিক পোল উপড়ে ভেঙে পড়ে যায় রাস্তাতেই। তবুও হুঁশ ফেরেনি গাড়িচালকের! ওই অবস্থায় বেশ খানিকটা চালিয়ে নিয়ে যায় লরিটি। তৎক্ষণাৎতক এলাকার লোকজন ছুটে এলে লরি নিয়েই ঘটনাস্থল ছেড়ে পালিয়ে যায় চালক। স্থানীয়দের অভিযোগ ওই লরিটি ইঁটভাটার একটি ঘর নিয়ে ব্যবসা করার একটি হাওয়া মেশিন সংস্থার, ঘটনার বিষয়ে ইটভাটার মালিক কে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন ঘটনা ঘোড়ার সাথে সাথে আমি পৌঁছাই। এবং ইলেকট্রিক সাপ্লাই বিষয়টি জানাই, যদিও তার আগেই ওই স্থান দিয়ে যাচ্ছিলেন ইলেকট্রিক সাপ্লাই এর কর্মী। তিনি প্রথম বিদ্যুৎ সংযোগ ছিন্ন করেন।স্থানীয়দের অভিযোগ যে কোন সময় বড়সড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারত কারণ ইলেকট্রিক তার ছিড়ে পথচলতি রাস্তার উপরে পড়ে থাকে তাই বড়সড় দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা পেল অনেকেই। স্বভাবতই এই ঘটনায় বেশ খানিকটা সময় যানজটের সৃষ্টি হয় এছাড়াও এলাকার ক্ষুব্ধ সাধারন মানুষ বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে। স্থানীয়দের দাবী লরি চালককে অতি শীঘ্রই চিহ্নিতকরণ করে শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে।
একই সাথে পথচারীরা দাবি করেন ওই পথের পাশে একটি বাঁশ বাগান দীর্ঘদিন ধরে রাস্তার উপরে ঝুকে থাকায়, রাস্তার যাতায়াতের অংশ সরু হয়ে গেছে, বাঁশ গাছের জল পড়ে, এবং রোদ্দুর না পেয়ে রাস্তাটির ক্ষতি হতে যথেষ্ট! পুরসভা বা ইলেকট্রিক সাপ্লাই হেলদোল নেই কারো, এভাবে চললে আবারো দুর্ঘটনা ঘটবে ওই এলাকায়, এমনটাই অনুমান করছেন তারা।