পৌরসভার পরিকল্পনাবিহীন নিকাশি ব্যবস্থার কারণেই প্রতিবছর শতাধিক চাষির চাষীর ধান পাট সরষে ক্ষতিগ্রস্ত,

পৌরসভার পরিকল্পনাবিহীন নিকাশি ব্যবস্থার কারণেই প্রতিবছর শতাধিক চাষির চাষীর ধান পাট সরষে ক্ষতিগ্রস্ত,

মলয় দে নদীয়া:- শান্তিপুর পৌরসভার অসম্পূর্ণ নিকাশি ব্যবস্থার কারণে শহূরে বাবুদের নর্দমার পরিত্যক্ত জল চাষিদের ধানের জমিতে। সমস্যাটা আজকের নয়, বিধায়কের পর বিধায়ক পাল্টেছে, পৌর প্রধান পরিবর্তিত হয়েছে একবার কিন্তু চাষের সমস্যা মেটে নি কোনদিন। রীতিমতন খাজনা-ট্যাক্স দেওয়া জমিতে বর্ষার সময় অপেক্ষাকৃত উঁচু অন্যান্য ওয়ার্ডের হাই ড্রেনের জল এসে পড়ে 16 নম্বর ওয়ার্ডে। অথচ গঙ্গা অত্যন্ত কাশি হওয়া সত্ত্বেও উন্নত প্রযুক্তির মাধ্যমে নিকাশ এর পরিস্থিতি জল গঙ্গায় ফেলা সম্ভব হয়নি রাজ‍্যের মধ্যে দ্বিতীয় পৌরসভা শান্তিপুরের। এই নিয়ে এসডিও, ডিএম ,বিডিও থেকে শুরু করে জেলা পরিষদ এবং বিভিন্ন জনপ্রতিনিধির দ্বারে দ্বারে ঘুরেছে কৃষকরা। অনেক মানুষের নিকাশি পরিষেবা সম্পূর্ণ স্তব্ধ হয়ে যাবে ভেবে মানবিকতার কারণে মূল ড্রেনের মুখ কখনো আটকাইনি। কিন্তু আবেদন অনুরোধের অপর আর আস্থা রাখতে পারছেন না তারা। একদিকে যেমন পাকা ধান নষ্ট হচ্ছে, কিছুদিন বাদে অত্যধিক জল জমে নষ্ট হবে পাটও। কোটি কোটি টাকা নিকাশি নালার পেছনে খরচ করলেও, সমগ্র জল এসে কোথায় পড়বে সে বিষয়ে মাথা ব্যাথা নেই পৌরসভার। কষ্ট অর্জিত ধারদেনা করার অর্থ দিয়ে কেনা সার ওষুধ প্রতিনিয়ত ধুয়ে যায় জলে। ড্রেনের দূষিত জলে, চাষাবাদের কাজ করতে গিয়ে হাতে পায়ের ত্বকে সংক্রামিত হচ্ছে বিভিন্ন রকম রোগ। এ বিষয়ে শেষবারের মতন পৌরসভায় আজ এক লিখিত জানিয়ে কৃষকদের সাফ কথা, অবিলম্বে পৌরসভা ব্যবস্থা না নিলে, শহরের জল নামতে দেবেন না নীচে। অন্যদিকে সারা শহরে পানীয় জল প্রকল্প অবস্থিত এই 16 নম্বর ওয়ার্ডেই, আমাদের সমস্যা না মিটলে, সেখানেই অবস্থান বিক্ষোভে বসব আমরা। গঙ্গার জল যদি পরিশ্রুত হয় শহরাঞ্চলে বাড়ি বাড়ি পরিষেবা দেওয়া যেতে পারে, তাহলে প্রত্যেক বাড়ির নোংরা ড্রেনের জল পরিশ্রুত করে গঙ্গায় পড়বে না কেন? যেখানে চাষীদের ধানের জমি থেকে গঙ্গা ঢিল ছোড়া দূরত্বে।
এ প্রসঙ্গে পৌর প্রধান সুব্রত ঘোষ জানান, নোংরা জল পরিশ্রুত করে গঙ্গায় ফেলতে বড়সড় প্রকল্পের দরকার, তবে আপাতত চলতি সপ্তাহেই জলের গতিপথ ঘুরিয়ে দেওয়া হবে ড্রেনের মাধ্যমে।