ভিনরাজ্য থেকে শান্তিপুর আটা কলে কাজ করতে আশা শ্রমিকের অস্বাভাবিক মৃত্যুতে চাঞ্চল্য, কর্তৃপক্ষের দাবি মধুচক্র এবং অবাধে মদ বিক্রির ফলে অসামাজিক হয়ে উঠছে পরিবেশ
মলয় দে নদীয়া:- কারখানায় এক আটা শ্রমিকের অস্বাভাবিক মৃত্যু ঘিরে চাঞ্চল্য।২৭ বছর বয়সী অনিল সাহানিকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত বলে ঘোষণা করে চিকিৎসকরা। নদীয়ার শান্তিপুর থানার কন্দখোলা 34 নম্বর জাতীয় সড়ক সংলগ্ন একটি আটা কারখানার ঘটনা। জানা যায় এক মাস আগে উত্তরপ্রদেশের গাজিয়াবাদ থেকে আটা কারখানায় কাজ করতে এসেছিল অনিল সাহানি নামে 27 বছর বয়সী এক যুবক। প্রতিদিনের মতো সে রাতে কারখানার ঘরেই শুয়ে ছিল। সকালের দীর্ঘক্ষন ডাকাডাকি করে কোন সাড়া না মেলায় অবশেষে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যায় কারখানার অন্যান্য কর্মীরা। এরপরই চিকিৎসার পর ওই যুবককে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। কারখানা কর্তৃপক্ষের অভিযোগ অতিরিক্ত মদ্যপান করেছিল সে। মদ্যপান করার পর দীর্ঘ ক্ষণ বাথরুমের ভেতরে শুয়ে ছিল। তার সঙ্গীরা পরবর্তীকালে তাকে তুলে এনে ঘরে শুইয়ে দেয়। আরো জানান তারা ভোর তিনটার সময় সে জল খেয়ে ছিল। কিন্তু ভোরবেলা ডাকাডাকি করে কোনো সাড়া না মেলায় সন্দেহ হয় তাদের। এরপর এই হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত বলে ঘোষণা করে চিকিৎসা। তাদের অনুমান হার্ট অ্যাটাক করে মারা গেছে ওই যুবক। এর পাশাপাশি তারা অভিযোগ তোলে কারখানা সংলগ্ন রাস্তার পাশে একাধিক দোকানে বেআইনিভাবে প্রতিনিয়ত মদ বিক্রি হয়। শুধু তাই নয় প্রশাসনের নজর এড়িয়ে রমরমিয়ে চলে মধুচক্রের আসর। সেই কারণেই কারখানায় আসা শ্রমিকর কষ্টার্জিত উপার্জন খরচ করে আসক্ত হয়ে পড়ছে ক্রমশ। কারখানার আশেপাশের পরিবেশ ধীরে ধীরে অসামাজিক হয়ে পড়ছে। সব জেনেও প্রশাসন নির্বিকার।
যদিও মৃতদেহটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে শান্তিপুর থানার পুলিশ। কিভাবে ওই যুবকের মৃত্যু ঘটলো ময়নাতদন্ত রিপোর্ট হাতে পেলে তা স্পষ্ট হবে।

