মনোহরার জন্য বিখ্যাত মালদার মহদিপুর গ্রাম। এই গ্রামে গুপ্ত পরিবারের হাত ধরে মনোহরা তৈরি শুরু হয়। এখন এলাকার একাধিক দোকানে পাওয়া যায়। ক্ষীরের ঘানির মধ্যে নারকেল ও এলাচ দেওয়া হয়। ঘানি তৈরি সম্পন্ন হলে চাঁচা বসিয়ে গোল মিষ্টির আকার দেওয়া হয়। দুইদিন সে অবস্থায় শুকোলে উপর থেকে চিনির সেরার প্রলেপ দিলেই তৈরি হয় মনোহরা। এই মিষ্টি তৈরি করতে অন্তত দুই থেকে তিন দিন সময় লাগে। মালদা জেলার ইংরেজবাজার ব্লকের ভারত
বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী মহদীপুর গ্রামে এই মিষ্টি পাওয়া যায়। এই গ্রামের একমাত্র কারিগর অজিত গুপ্ত রয়েছেন। যিনি বংশ পরম্পরা এই মিষ্টি তৈরি করে আসেন। অজিত বাবুর বাবা স্বর্গীয় অনন্ত লাল গুপ্তর হাত ধরেই বাংলাদেশের পাবনা থেকে এই মিষ্টি এসেছিল দেশে। একসময় এই মিষ্টির খুব কদর ছিল। মালদহ শহর থেকে মিষ্টান্ন দোকানীরা
মহদিপুর এসে পাইকারি মূল্যে মনোহরা নিয়ে যেতেন। মালদহ শহরে বিক্রি করতেন ব্যবসায়ীরা।গৌড়ে ঘুরতে আসা পর্যটকেরা তাঁর হাতের মনোহরার টানে মহদিপুর আসেন। একসময় কলকাতাতেও বরাত পেয়েছেন। তবে ধীরে ধীরে চাহিদা অনেকটাই কমেছে বাংলার এই মিষ্টির। তাছাড়া আগের মত প্রচুর পরিমাণে মিষ্টি ও তৈরি করতে পারছেন না অজিত বাবু।
মনোহরা বর্তমানে ২৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়। তাছাড়া ৫ টাকা পিস হিসাবে বিক্রি করেন

