তাঁত বুনতে গিয়ে মালিকের তাঁতের তানা কেটে ফেলার অভিযোগ কর্মচারী তাঁতির বিরুদ্ধে। ঘটনা নদিয়ার শান্তিপুর থানার ঘুরপেকে পাড়ার। অভিযোগ এলাকার তাঁত ব্যাবসায়ী শ্যামল কুমার ঘোষের বাড়িতে বিগত ২ মাস তাঁত বোনের কাজে নিযুক্ত ছিলেন শান্তিপুর থানা এলাকার কলাবাগান পাড়ার বাসিন্দা ভোম্বল হালদার। শ্যামল বাবুর স্ত্রীর অভিযোগ বিগত অনেক দিন ধরে কাজ করলেও বর্তমানে ভালো শাড়ি বুনতে পারছিলো না ভোম্বল। সেই কারণে গতকাল দুপুরে তাকে শ্যামল বাবু সেদিনের পারিশ্রমিক নিয়ে পরের দিন থেকে কাজে আসতে নিষেধ করেছিলেন। এরপর তারা রাতে তাঁত ঘরে গিয়ে দেখেন তাঁতের তানা কাটা অবস্থায় রয়েছে। তাতে করে প্রায় ৭০-৭৫ হাজার টাকার লোকসান হয়েছে দাবি মালিকের। এবং এর পেছনে ভোম্বল দায়ী বলেই অভিযোগ করেছেন শ্যামল বাবুর স্ত্রী অভিযোগ করেছেন।তার দাবি ভোম্বল ইচ্ছাকৃত ভাবেই এই সর্বনাশ করেছে। এই ঘটনায় শান্তিপুর থানায় ভোম্বল হালদারের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়েরও করেছেন শ্যামল বাবু।শ্যামল বাবুর স্ত্রী জানান বাড়িতে ১০ জন কর্মচারী তাঁত বোনার কাজে নিযুক্ত। তারা কেও এর সঙ্গে জড়িত নয়।তবে এই ঘটনা সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত ভোম্বল হালদারের মা চম্পা হালদার। তার দাবি তার ছেলেকে কাজ থেকে ছাড়িয়ে দিয়েছে মালিক। কাজের পারিশ্রমিক বাবদ ১০০০ টাকাও পাওনা আছে সেটাও দেয়নি মালিক। অন্যান্য রা এই ঘটনা ঘটিয়েছে তার ছেলেকে মিথ্যে দোষারোপ করা হয়েছে। তার ছেলে কোনোভাবেই এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত নয়। যদিও লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছে শান্তিপুর থানার পুলিশ।

