রাত পোহালেই মাধ্যমিক পরীক্ষা, পর্ষদ থেকে প্রশাসন সকলেই ব্যস্ত, বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষও নির্দেশ পালন করতে সচেষ্ট

মলয় দে, নদীয়া:রাত পোহালেই মাধ্যমিক পরীক্ষা।মাধ্যমিক পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য শিক্ষা দপ্তরের পক্ষ থেকে সব রকম ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।যদিও এবার শিক্ষা দপ্তরের উদ্বেগের বিষয় একটাই, এবারের মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীর সংখ্যা যথেষ্টই কম। মাত্র ২৯ হাজার ৪৮ জন পরীক্ষার্থী এবার মাধ্যমিক পরীক্ষায় বসছেন। অথচ গত বছর মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৬৬ হাজারেরও বেশি। সংখ্যা তত্ত্বের বিচারে,এবারের মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীর সংখ্যা গতবারের থেকে অর্ধেকেরও কম।
যদিও এবার মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের মধ্যে ছাত্রীদের সংখ্যা ছাত্রদের থেকে বেশি। এবছর ১৪ হাজার ৯৪৩ জন ছাত্রী মাধ্যমিক পরীক্ষায় বসছেন। সেই তুলনায় এবছর ১৪ হাজার ১০৫ জন ছাত্র মাধ্যমিক পরীক্ষায় বসছেন। যথারীতি মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীর সংখ্যা কম হওয়ায় এবার পরীক্ষা কেন্দ্রের সংখ্যাও যথেষ্ট কম।গোটা জেলা জুড়ে ১৭৯ টি পরীক্ষা কেন্দ্রে মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীরা পরীক্ষা দেবেন।পরীক্ষা কেন্দ্রের সংখ্যা কম হওয়ায় ভেনুর সংখ্যাও এবার অনেকটাই কম। এবছর মোট ভেনুর সংখ্যা ১৩৬ টি। তার মধ্যে প্রধান ভেনু ৪৩ টি। এ বছর যেখানে ১৭৯ টি পরীক্ষা কেন্দ্রে মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীরা পরীক্ষা দেবেন,গত বছর এই সংখ্যা ছিল এর দ্বিগুণ। এবার শান্তিপুরে বাংলা স্কুল এবং রবীন্দ্র বিদ্যাপীঠ, এই দুটি স্কুলকে ভেনু করা হয়েছে শান্তিপুরের ক্ষেত্রে।
এবছর মাধ্যমিক পরীক্ষার জন্য একাধিক নিয়ম জারি করেছে শিক্ষা দপ্তর। প্রতিটি পরীক্ষা কেন্দ্রে সিসিটিভি বসানো বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই কিছু স্কুলে সিসিটিভি থাকা সত্ত্বেও যেসব পরীক্ষা কেন্দ্রে সিসিটিভি নেই,সেখানে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় সিসিটিভি বসানোর কাজ চলছে। এছাড়াও পরীক্ষার্থীরা যাতে পরীক্ষাা কেন্দ্রেে পৌঁছতে পারেে,তার জন্য প্রশাসনিক স্তরে সব রকম ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
দুটি বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকেই জানানো হয়েছে, পর্ষদের নির্দেশ মতই এবার স্কুলের মধ্যে ঢুকতে পারবেন না অভিভাবকগণ, তাদের সন্তানরা কোন পজিশনে বসেছে তা জানতে পারবেন বাইরে থাকা তালিকায়। অন্যদিকে প্রশ্নপত্র বিদ্যালয়ে প্রবেশ করা থেকে শেষ পর্যন্ত থাকছে সিসি ক্যামেরার আওতায়, পরীক্ষার্থীরা পরীক্ষা দেওয়ার উপকরণ ছাড়া অন্য কিছু নিয়ে প্রবেশ করতে পারবে না, তবে জলের বোতল রাখতে পারবে তারা।