নদীয়ার কৃষ্ণগঞ্জের বাবলাবনে রাতে একটি মাঠের ধারে কয়েকজন মদ খাচ্ছিলো । সেই সময় পুলিশের স্পেশাল ডিউটি চলছিল । স্বাভাবিক ভাবেই পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে চার মদ্যপ যুবককে গ্রেফতার করে । থানার পুলিশের গাড়িতে তুলে নিয়ে আসতে গেলে,চার জন চিৎকার করে । এলাকায় প্রচুর পরিমাণে লোক জড়ো হয় । পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি হয় । পুলিশের গাড়িতে ভাঙচুর করে ও চারজনকে পুলিশের গাড়িথেকে ছিনিয়ে নেয় গ্রামবাসী্রা । এরপর বাবলাবনে পুলিশের চারটি গাড়ি পৌঁছে দুইজনকে গ্রেপ্তার করে । পাশেই একটা বাড়িতে শ্রাদ্ধের অনুষ্ঠান ছিল । পুলিশ সেই বাড়িতে তান্ডব চালায়, খাবার নষ্ট করে । বাড়ি ভাঙচুর করে পিতা হারা কাছাপড়া ছেলে দেরকেও প্রচন্ড় মারধোর করে পুলিশ । এমনকি মহিলাদের কেও মারধোর করার অভিযোগ পুলিশের বিরুদ্ধে । গ্রামবাসীদের অভিযোগ সদৌ বিধবা হ,ওয়া মহিলাও পুলিশের মারে আহত হয়েছেন । শিশুরাও পুলিশের মারথেকে রেহাই পায়নি । গ্রাম বাসীরা আরো অভিযোগ করেন পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে শুধু মারিনি, কয়েকটি বোমাও ফেলে । যদিও পুলিশ সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে। এবং থানা সূত্রে জানা যায়, ওই চার মদ্যপ যুবকের গ্রেপ্তারের সময়, এলাকার একাংশ বাধা দেয় এবং আসামিদের ছিনিয়ে নিয়ে যায়, পুলিশেরগাড়ি ভাঙচুর করে, সরকারি কাজে বাধা সৃষ্টি করার জন্য পরবর্তীতে আরও দু’জনকে গ্রেফতার করা হয়।

