কাঁচা বাঁশের সাঁকো,থরথর করে কাঁপে,নিথর মানব মন, আশা একদিন হবে পাকা সেতু

সুমিত ঘোষ, মালদা: কাঁচা বাঁশের সাঁকো,থরথর করে কাঁপে,নিথর মানব মন, আশা একদিন হবে পাকা সেতু। ১৯৯১ সাল থেকে এই আশায় করে আসছেন মালদহের ইংরেজ বাজার ব্লকের বিনোদপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের বড় গোসাইপুর গ্রামের মানুষরা। কিন্তু তাদের স্বপ্ন পূরণ হয়নি আজও। নড়বড়ে এই বাশের সেতু দিয়েই বিনোদপুর, মিল্কি, অমৃতি এবং বাঙ্গিটোলা অঞ্চলের মানুষরা যাতায়াত করে। গ্রামে কেউ অসুস্থ হলে অ্যাম্বুলেন্স ঢুকতে পারেনা। বাঙ্গিটোলা হাসপাতাল হোক কিংবা হাইস্কুলে যেতে হলে এই নড়বড়ে সেতুর ওপর দিয়েই যেতে হয়। আর তা না হলে প্রায় ১০ কিলোমিটার ঘুড়তি পথে যেতে হয় গ্রামবাসীদের। গ্রামবাসীদের অভিযোগ ভোট আসলে প্রতিশ্রুতি মিলে ভুরি ভুরি। কিন্তু স্বপ্ন পূরণ হয়নি আজও। তাই ভাগীরথী নদীর উপর অস্থায়ী এই নড়বড়ে বাশের সেতু দিয়েই হাসপাতাল হোক কিংবা স্কুল কলেজে যাতায়াত করেন গ্রামবাসীরা। এই নিয়ে শুক্রবার গ্রামবাসীরা একত্রিত হয়ে পাকা সেতুর দাবিতে সোচ্চার হন। বিক্ষোভ দেখান গ্রামবাসীরা। তাদের আরও অভিযোগ প্রাক্তন বিধায়ক নীহার রঞ্জন ঘোষ থাকালিন এই নদীর উপর পাকা সেতুর জন্য কাজের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল কিন্তু মাটি পরীক্ষা ও বোর্ডিং প্রক্রিয়া হওয়ার পর আর দেখা মেলেনি প্রশাসনিক কোনো কর্তা বা আধিকারীদের। তাই দ্রুত সমস্যা সমাধানের দাবি জানিয়ে আজ বিক্ষোভে শামিল হন গ্রামবাসীরা। অন্যদিকে এ বিষয়ে গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান রাজু মিয়া কে ধরা হলে তিনি বলেন ওই এলাকায় দীর্ঘদিনের এই সমস্যা আমরা দেখে এসেছি উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দপ্তর থেকে কাজের প্রক্রিয়া শুরু হলেও কোন একটি অজানা কারণে তা আবার বন্ধ হয়ে পড়ে। যদিও এই বিষয়টি নিয়ে পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ আসলে সেই সমস্যার সমাধান করার আশ্বাস দিয়েছেন পঞ্চায়েত প্রধান রাজু মিয়া।