ঐতিহ্য মেনে সাঙে চড়িয়ে কৃষ্ণনগরে বিসর্জিত হলো মা জগদ্ধাত্রী।

নিজস্ব প্রতিবেদন, মৌমিতা দেবনাথ,

ঐতিহ্য মেনে সাঙে চড়িয়ে কৃষ্ণনগরে বিসর্জিত হলো মা জগদ্ধাত্রী।জগদ্ধাত্রী পুজো কৃষ্ণনগরের ঐতিহ্য আর প্রায় বহু যুগ ধরে ঐতিহ্য মেনে রীতি-নীতি সহকারে যেমন জগদ্ধাত্রী পুজো হয় সেরকম প্রতিমা নিরঞ্জনও করা হয়। আর জগধাত্রী প্রতিমা নিরঞ্জনে অন্যতম বিশেষ ভূমিকা গ্রহণ করে সাঙ, শব্দটা অনেকের কাছেই হয়তো নতুন সাঙ হলো বাসে তৈরি এক ধরনের বিশেষ মাচা যাতে বসিয়ে প্রতিমা নিরঞ্জন করা হয় গঙ্গার ঘাটে। দু বছর পর মহামারীর চোখ রাঙানি পেরিয়ে আবারো ছন্দে ফিরেছে বঙ্গ জীবন। আর তাইতো আবারো উৎসবে মেতে উঠেছে উৎসব মুখর বাঙালি। দুর্গাপূজো কালীপুজোর শেষে বঙ্গজ জীবনে অন্যতম আনন্দের উৎস হলো জগদ্ধাত্রী পুজো। জগদ্ধাত্রী পূজারী বিসর্জনে ব্যবহার করা হলো সাঙ। রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের ঐতিহ্যের জগদ্ধাত্রী পূজা তিনি প্রথম চালু করেছিলেন কৃষ্ণনগরে।মহামারী কাটিয়া আবারো ফিরে এলো সাঙ আর সেই সঙ্গে ফিরে এলো গ্যাসবাতিও। যা দু’বছর প্রায় নিষিদ্ধ ছিল।সাঙে চড়িয়ে জগদ্ধাত্রী মাকে এদের গঙ্গা পক্ষে নিরঞ্জন করা হলো যা দেখতে ভিড় জমিয়ে ছিল বহু মানুষ।