হাসপাতাল ও জনসাস্থ‍্য সংগঠনের পক্ষ থেকে জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে ঘুরে তদন্তের ভিত্তিতে ডেপুটেশন

 

মলয় দে নদীয়া:- কভিদ পরিস্থিতি মোকাবেলায় এবং নিয়মিত টিকাকরণ কর্মসূচিতে হাসপাতালের পরিবেশ ,রোগের চিকিৎসা, টেকনিক্যাল বিভিন্ন বিভাগের স্বাভাবিক কাজকর্ম অনেকটাই ব্যাহত হয়েছে বলে মনে করছেন হাসপাতাল ও জনস্বাস্থ্য সংগঠনের নেতৃত্ব। তারা জেলার বিভিন্ন স্টেট জেনারেল হসপিটাল এবং ব্লক প্রাথমিক হেলথ সেন্টারে স্থানীয় সংগঠনের সদস্যদের নিয়ে ঘুরে দেখেন গোটা স্বাস্থ্য কেন্দ্র এবং হাসপাতাল চত্বর। এরপর হাসপাতাল সুপারেন্টেন্ড অথবা ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রের বিএমওএইচ কে একটি করে লিখিত ডেপুটেশন জমা দেন, সংগঠনের নেতৃত্ব জানান এ প্রক্রিয়া চলছে বিগত এক মাস ধরে, ডেপুটেশনের পরবর্তী সময়ে বিষয়গুলো গুরুত্বের সাথে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ দেখেছেন কিনা তাও নজরদারি রাখছে সংগঠন। ন্যূনতম স্বাস্থ্য পরিষেবায় ঘাটতি পূরণ না হলে, হাসপাতালের পরিবেশ স্বাস্থ্যকর না হলে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষক সি এম ও এইচের দৃষ্টি আকর্ষণ করবেন সুরাহার জন্য এমনটাই জানালেন সংগঠনের জেলা সম্পাদক সত্যজিৎ রায়।
তার কথা অনুযায়ী ফুলিয়া ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রের মধ্যে জঙ্গল, নিয়মিত পরিষ্কারের অভাবে শৌচালয় গুলি ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে, তবে বি এম ও এইচ ডক্টর পূজা মৈত্র জানান হাসপাতালের মধ্যে অবস্থিত হলেও তা নির্মাণ হয়েছিলো গ্রাম পঞ্চায়েতের উদ্যোগে। তবে রোগীদের জন্য আলাদা শৌচালয় আছে সেটা যথেষ্টই পরিষ্কার থাকে সবসময়।
শান্তিপুর স্টেট জেনারেল হাসপাতালে, জঙ্গল সম্পর্কে সুপারেন্টেন্ড ডক্টর তারক বর্মন জানান, কিছুদিন আগেই পরিষ্কার করা হয়েছে ঘন বর্ষার কারণে দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে , আবারো পরিস্কারের ব্যবস্থা নিচ্ছি।
তবে জেলার অন্যান্য হাসপাতাল এবং স্বাস্থ্য কেন্দ্রের বিভিন্ন বিভাগে স্বাস্থ্যকর্মী ডাক্তারের অভাব, রোগীর পরিবারবর্গ সাইকেল মোটরসাইকেল রাখার উপযুক্ত জায়গার অভাব, রোগীকে দেওয়া খাদ্য খাবারের গুণগত মানোন্নয়ন এ ধরনের নানা বিষয় উঠে এসেছে।
তবে বিভিন্ন হাসপাতালে রোগী কল্যাণ সমিতির ভূমিকা, স্থানীয় পৌরসভা বা পঞ্চায়েতে নিয়মিত মোটা অংকের ট‍্যক্স নেওয়া সত্ত্বেও নিয়মিত জঙ্গল সাফাই পরিত্যক্ত আবর্জনা সংগ্রহের বিষয়টিও উঠে আসে এই প্রসঙ্গে।