মলয় দে নদীয়া;- নদীয়ার শান্তিপুর বাগআঁচড়া পঞ্চায়েতের অন্তর্গত বাগআঁচড়া ভালুকা রোডের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই পথের বেহাল দশা ছিল দীর্ঘদিন ধরে। অবশেষে নদীয়া জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে এই রাস্তা সংস্কার করা হয়েছিলো। এলাকাবাসীর দাবী দীর্ঘদিন ধরে ওভারলোড বালির গাড়ি নিয়মিত চলাচল করে পুলিশের উপস্থিতিতেই।
আজ সকালে, স্থানীয় ইমামতি দ্রব্য বিক্রেতা রাধেশ্যাম ঘোষের 240 সিএফটি বালি ডাউনলোড করার সময় পুলিশ এসে 200 টাকা চায়, তা দিতে অস্বীকার করলে, কর্তব্যরত শান্তিপুর থানার পুলিশ কাগজপত্র করে মারধর করে। এলাকার এবং পথচলতি সাধারণ মানুষ পুলিশের গাড়ি ধরে বিক্ষোভ শুরু করে । এরপর অবস্থা বেগতিক দেখে ঐ স্থান পরিত্যাগ করে পুলিশের গাড়িটি।
এ বিষয়ে গাড়ির চালক হাবিব শেখ জানান, নিয়ম অনুযায়ী আন্ডার লোড 240 সিএফটি বালি পরিবহন করার কারণে থানার মান্থলি করার প্রয়োজন বোধ করেনি। কিন্তু কোন অন্যায়ে আজ আমাকে মারধোর করা হলো? কাগজপত্র কেড়ে নেওয়া হলো?
স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে থেকে মিলন ঘোষ জানান, মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী সমস্ত গ্রাম শহরে রাস্তাঘাটের ব্যাপক উন্নতি সাধন করেছেন, অথচ পুলিশের এ ধরনের ভূমিকায় বদনাম হচ্ছে শহরের। প্রতিদিন সকালে আট-দশটা ওভারলোডেড বালির গাড়ি স্থানীয় বাগদেবী তলা ব্রিজের উপর দিয়ে যাওয়ার সময় যথেষ্ট বিপদজনক পরিস্থিতিতে রয়েছে, রাস্তা এবং পাশাপাশি দোকান বাড়িঘর সমস্ত কেঁপে যায়। শুধুমাত্র স্থানীয় থানার মান্থলি করার কারণে তাদের উপস্থিতিতেই চলছে রমরমা ওভারলোড বালির গাড়ি যাতায়াত।
এ বিষয়ে পঞ্চায়েত প্রধান মমতা ধারা জানান, প্রশাসনিক বিষয় বলেই পঞ্চায়েতের হস্তক্ষেপ করা হয়নি। তবে শান্তিপুর থানার এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

