তৃণমূল পরিচালিত রতুয়া 2 ব্লকের পীরগঞ্জ গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধানের বিরুদ্ধে অনাস্থার তলবি সভা অনুষ্ঠিত হল।প্রশাসনিক কর্তাদের উপস্থিতিতে 12 জন পঞ্চায়েতের সদস্যদের সমর্থনে প্রধানের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব গৃহীত হল।
পীরগঞ্জ গ্রাম পঞ্চায়েত 14 আসন বিশিষ্ট।তৃণমূল প্রধানের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনে 12 জন সদস্য। বিজেপি ও কংগ্রেসকে সাথে দলীয় প্রধানের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনার পর বৃহস্পতিবার অনাস্থার তলবি সভা অনুষ্ঠিত হয় পঞ্চায়েতে।যাকে ঘিরে প্রশাসনের তরফে আঁটোসাঁটো নিরাপত্তা ব্যবস্থা করা হয় পঞ্চায়েত চত্বরে জুড়। মোট 12 জন সদস্যের সমর্থনে পদ থেকে অপসারিত হয় প্রধান মাইনুর বিবি।
গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে পীরগঞ্জ গ্রাম পঞ্চায়েতে 14 টি আসনের মধ্যে 11 টি আসন পায় তৃণমূল দুটি কংগ্রেস ও একটি বিজেপির দখলে যায়। সংখ্যাগরিষ্ঠতায় পঞ্চায়েত দখল করে তৃণমূল। কিন্তু এবারে দলীয় প্রধানকে পথ থেকে সরাতে সক্ষম হলো তৃণমূল দলের সদস্যরা। 12 জন সদস্য সম্মতিতে এদিন প্রধান পত্রিকা অপসারিত হন মাইনুর বিবি।
এ প্রসঙ্গে পঞ্চায়েতের তৃণমূল সদস্য তথা উপপ্রধান মোঃ আরমান আলী জানান, বিগত প্রধানের নেতৃত্বে পঞ্চায়েতের অসুবিধার সম্মুখীন হতে হচ্ছিল। উন্নয়ন স্তব্ধ হয়ে গেছিল তাই প্রধান কে অপসারণ করা হয়েছে। আগামীদিনের দলের প্রধান অন্য কেউ হবে।
এ প্রসঙ্গে অপসারিত পঞ্চায়েত প্রধান মাইনুর বিবি বলেন, কি কারণে তাকে প্রধান পদ থেকে অপসারণ করা হলো তিনি কিছুই জানেন না। সদস্যরা কিছুই জানাননি হঠাৎ করে তারা অনাস্থা এনেছে এবং তাকে অপসারণ করেছে পুরো বিষয়টি জেলা নেতৃত্ব কে জানিয়েছেন বলে জানান তিনি।
এ প্রসঙ্গে ব্লক তৃণমূল সভাপতি মোহাম্মদ নৈমুদ্দিন জানান, পঞ্চায়েত সদস্যরা প্রধানের বিরুদ্ধে মতামত জানিয়ে ছিল। দলের তরফে চেষ্টা করা হয়েছিল সমস্ত সদস্যকে নিয়ে প্রধান কে টিকিয়ে রাখার জন্য। কিন্তু সদস্যরা তা মানেনি তাই প্রশাসনিক স্তরে যা নিয়ম রয়েছে সেভাবেই প্রধান কে অপসারণ করেছে।

