করিমপুরে তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দল প্রকাশ্যে, রক্তদান অনুষ্ঠানে যোগদান করতে গিয়ে, বিধায়কের অনুগামীদের হাতে মার খেতে হল তৃণমূল ছাত্র পরিষদ সদস্যদের

করিমপুরে তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দল প্রকাশ্যে, রক্তদান অনুষ্ঠানে যোগদান করতে গিয়ে, বিধায়কের অনুগামীদের হাতে মার খেতে হল তৃণমূল ছাত্র পরিষদ সদস্যদের

মলয় দে নদীয়া:- নদীয়ার করিমপুরে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব আবার প্রকাশ্যে এলো। বিধায়ক অনুগামীদের হাতে মার খেতে হল তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সদস্যদের। তৃণমূল ছাত্র পরিষদের করিমপুর 1 নম্বর অঞ্চলের সভাপতি রীতেন্দ্র বিশ্বাস, জানান। জামতলা মোড় এলাকায় তৃণমূলের একটি রক্তদান অনুষ্ঠানে ডাক পাইনি তৃণমূল ছাত্র পরিষদ। যেহেতু দলেরই প্রোগ্রাম তাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথা ভেবে তারা প্রবেশ করতে গেলে, করিমপুর দু’নম্বর ব্লকের কিছু দুষ্কৃতী যারা বিধায়ক বিমলেন্দু বাবুর অনুগামী তারাই আচমকা বাস লোহার রড দিয়ে আক্রমণ করে প্রকাশ্যে। যার ফলে 45 জন গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি হয়, রীতেন্দ্রর মাথায় চারটি সেলাই পড়ে। সে দৃশ্য দেখে, তৃণমূল সভাপতি জয়ন্ত বিশ্বাস কোন মন্তব্য করেননি। তাই বিপুল পরিমাণে ছাত্র বিক্ষোভ প্রদর্শন করে মন্ত্রী উজ্জ্বল বিশ্বাস এর গাড়ি ঘিরে। এবং বিধায়ক বিমালেন্দু সিংহ রায়, তৃণমূল সভাপতি জয়ন্ত বিশ্বাস, ক্যাবিনেট মিনিস্টার উজ্জ্বল বিশ্বাস সকলেই ঘটনাস্থল থেকে চলে আসে। ছাত্রদের দাবি প্রাথমিক চিকিৎসার পর একটু সুস্থ হলে থানায় লিখিত অভিযোগ জানাবেন তারা। দল কোন ব্যবস্থা না নিলে, বড়োসড়ো বিক্ষোভে সামিল হবেন তারা। এ প্রসঙ্গে বিমলেন্দু বাবু জানান, সম্পূর্ণ ভুল এবং উল্টো দাবি ওদের, ওরা দলের কেউ নয়।তৃণমূলের তকমা লাগিয়ে বেশ কিছু যুবক দলকে কালিমালিপ্ত করার চেষ্টা করে, তৃণমূল জেলা সভাপতি জয়ন্ত বিশ্বাস কে ঘিরে ধাক্কাধাক্কি করে, উজ্জল বিশ্বাসের গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ করার চেষ্টা করে। সেখানেই নিজেদের মধ্যে গন্ডগোল সৃষ্টি হয়।
উজ্জ্বল বিশ্বাস, জানান খতিয়ে দেখছি দলেরই হোক বা বহিরাগত দোষী শাস্তি পাবে।
তবে এ বিষয়ে, সভাপতি জয়ন্ত বিশ্বাস এর প্রতিক্রিয়া জোগাড় করা সম্ভব হয়নি।