মলয় দে নদীয়া :- গত 2018 সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনের নিরিখে
শান্তিপুর ব্লকের 15 সদস্য বিশিষ্ট বেলগড়িয়া দু’নম্বর গ্রামপঞ্চায়েতে বিজেপির ছয় সদস্য , তৃণমূলের তিনজন এবং নির্দল হিসাবে 6 জন সদস্য লাভ করে। নির্দলের দীপক মন্ডল, প্রধান হিসেবে , তৃণমূলের বিপ্লব প্রামানিক উপ প্রধান হিসেবে মনোনীত হন। এরপর প্রধান তৃণমূলে যোগদান করেন, এবং উপপ্রধান বিজেপিতে।
পঞ্চায়েতে 6 জন বিজেপি সদস্য প্রধানের দুর্নীতির অভিযোগ তুলে অনাস্থা আনেন গত 16 জুলাই 2021।
নিয়ম অনুযায়ী পাঁচ দিনের মধ্যে প্রক্রিয়ার তারিখ দেবার কথা থাকলেও বিজেপির অভিযোগ, বিডিও প্রনয় দেবনাথ কোনো তারিখ ঘোষণা করেন নি, এবং সে বিষয়ে জানতে গেলে করো না পরিস্থিতির অজুহাতে টালবাহানা শুরু করেন করেন, অবশেষে আজ সংসদ জগন্নাথ সরকারের হস্তক্ষেপে বিজেপি সদস্যগণ আজ হাইকোর্টের আইনজীবীর মাধ্যমে, বিডিও কে আইনি নোটিশ ধরালেন।
এ বিষয়ে বেলঘড়িয়া 2 নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের বিজেপি কার্যকর্তা নির্মল বিশ্বাস জানান, যেখানে সকল নিয়ম কানুন শিথিল হচ্ছে ক্রমশ সেখানে, মাত্র কুড়ি জন নিয়ে দূরত্ব বিধি মেনে মিটিং করতে আপত্তি কোথায়? সাধারণ মানুষ পরিষ্কার বুঝতে পারছে তৃণমূলের হয়ে কাজ করছে সরকারি আধিকারিক, অথবা দুর্নীতি পরায়ন প্রধানকে আড়াল করতে চাইছে।
সংসদ জগন্নাথ সরকার জানান, যদি এটা বিজেপির বিরুদ্ধে অনাস্থা হতো, তাহলে তৎপরতা লক্ষ্য করা যেত! পঞ্চায়েত আইন কে অপমানিত করে, জনসাধারণ দ্বারা নির্বাচিত স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের দিনের পর দিন সঠিক তথ্য না দেওয়াতে পরিষ্কার হয়েছে, তিনি সরকারি পদমর্যাদা বিসর্জন দিয়ে, গণতন্ত্রকে হত্যা করে, তৃণমূলের ঠিকাদারির কাজ করছেন। আর তাই আইনের দ্বারস্থ হতে বাধ্য হয়েছি আমরা।
এ বিষয়ে গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান জানান, অনাস্থা মিটিং কবে হবে তা বিডিও বলতে পারবেন, তবে তৃণমূল পরিচালিত বোর্ডের উপযুক্ত সংখ্যাগরিষ্ঠ প্রমাণ দিতে আমরা প্রস্তুত।
পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি রীনা প্রামানিক জানান, বিষয়টি সম্পূর্ণ বিডিও সাহেবের এ বিষয়ে উনিই বলতে পারবেন।
যদিও শান্তিপুর ব্লক সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিককে প্রশ্ন করলে তিনি কোনো প্রতিক্রিয়া দেননি তিনি বলেন, আইনি প্রশ্নের উত্তর আইনগত ভাবে দেবো

