মলয় দে নদীয়া:- নদীয়ার জালালখালি রেলওয়ে স্টেশনে সমস্ত ট্রেন দাঁড়ানোর দাবিতে গতকাল থেকে লাগাতার বিক্ষোভ চলছে এলাকাবাসীর। আর তারই ফলে, হাজারদুয়ারি, লালগোলা ,ভাগীরথী এক্সপ্রেস সহ বিভিন্ন মেইল এবং এক্সপ্রেস ট্রেনগুলি ঘুরপথে শান্তিপুর হয়ে যাতায়াত করছে। অনেক আগে শান্তিপুরের সাথে কৃষ্ণনগরের যোগাযোগ ছিল ন্যারোগেজে। কিছুদিন আগে ব্রডগেজ হলেও দিনে মাত্র দুটি ট্রেন যাতায়াত করার কারণে রেলগেট বিহীন দুটি প্রধান পারাপারের জায়গাগুলি সুরক্ষিত নয়। নেই কোন রেলগেট বা প্রহরী।
শান্তিপুর স্টেশন পাড়া, মনুনগর, বাইশ বিঘে কলোনির প্রায় সারাদিনে পাঁচ শতাধিক সাধারণ মানুষ চলাফেরা করেন সাইকেল মোটরসাইকেল অটো টোটো ট্রেকার এমনকি চারচাকা গাড়িতেও। হঠাৎ করে এই পথে রেল চলাচল বৃদ্ধি হওয়ায় দুশ্চিন্তায় তারা। তাদের দাবি প্রায় 50 বছর যাবৎ তারা ওই এলাকায় বসবাস করছেন, যাতায়াতের প্রধান পথ বলতে রেললাইন পার হয়েই। কিছুটা দূরে গোবিন্দপুর গলায় দড়ি বটতলা এলাকার পরিস্থিতি আরো ভয়ানক সেখানে প্রমোদনগর নিকুঞ্জ নগর বিবেকানন্দ নগর সাথে শহরের মূল যোগাযোগ রেলগেট প্রহরী বিহীন রেললাইন টপকে।
রেল কর্তৃপক্ষ বা জেলা প্রশাসন এ বিষয়ে উদাসীন। এমনকি সাধারণ মানুষের তোলা এই দুশ্চিন্তা সদুত্তর দেননি তারা। দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার কারণে রেল লাইনের পাড়ের বাসিন্দারা অনঅভ্যস্ত জনিত কারণে রেলপথের গুরুত্ব হারিয়েছেন, এ ব্যাপারে কোনো সতর্কীকরণ করা হয়নি, এমন কি কোন সময় কোন এক্সপ্রেস বা মেইল ট্রেন যাতায়াত করবে নাকি তাদের নিজেদেরও জানা নেই এই মুহূর্তে। অন্যদিকে কলকাতা সাথে উত্তরবঙ্গ যোগাযোগের প্রধান জাতীয় সড়কের উপরে গোবিন্দপুর কালিবাড়ি এবং শান্তিপুর রেল গেটে দুটি জায়গায় এত পরিমাণে ট্রেন যাওয়ার ফলে পড়ে থাকছে বেশিক্ষণ সময়, বহুমূল্য ডিজেল পেট্রোল পুড়িয়ে তীব্র যানজটের মধ্যে বিভিন্ন যানবাহন চালকরা। শহরে যানজটে নাজেহাল সাধারণ জনগণ।

