কন্যার জন্মদিন উপলক্ষে নদীয়ার শান্তিপুরের চর পানপাড়ার ঘাটে, যাত্রী সুরক্ষায় পাঁচটি লাইফ জ্যাকেট প্রদান

 

মলয় দে নদীয়া- নদীয়ার শান্তিপুর কলেজের অস্থায়ী কর্মচারী বিশ্বজিৎ রায়ের দুই মেয়ে, নদীর নামে নাম বিপাশা এবং বিতস্তার! পঞ্চম শ্রেণীতে পড়া বিতস্তা এ বছর 11 তে পা দিলো, করোনা পরিস্থিতিতে, জমায়েত এড়াতে জন্মদিনের আড়ম্বরতা বন্ধ রেখেছে। আর সেই খরচ দিয়ে,
শান্তিপুর ব্লকের দুর্ঘটনাকবলিত ভাগীরথীর ছাড়া গঙ্গায় বিপজ্জনকভাবে পারাপার হওয়া যাত্রীদের নিরাপত্তায় চর পানপাড়া ঘাটে দুই মাঝির হাতে তুলে দিলেন লাইফ জ্যাকেট । বাগআঁচড়া পঞ্চায়েতের অন্তর্গত চরপানপাড়া গ্রাম হলেও ভাগীরথীর ছাড়গঙ্গা পেরিয়ে যেতে হয়! সরকারি তরফে যাতায়াতের ঘাট নির্মিত হলেও পারাপারের উদ্যোগ এলাকাবাসীর। ওই এলাকার তারক মন্ডল এবং অসীম বিশ্বাস দীর্ঘদিন ধরে দাড়টানা দুটি নৌকা নিয়ে পারাপার করে থাকেন। স্কুল কলেজেপড়ুয়া, চিকিৎসা বা অফিস-আদালতের প্রয়োজন মেটাতে বা অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ দরকারে দিবারাত্র নৌকা করে পার হতে হতো তাদের, আজ লাইভ জ্যাকেট ব্যবস্থা হাওয়ায় খুশি সকলেই।
মাঝিরা জানালেন এ ধরনের উদ্যোগ সরকারি তরফেও ভাবিনি কেউ!
বিশ্বজিৎ বাবু বলেন, চর পানপাড়া থাকে স্কুল কলেজে আসা আমারই মেয়ের বয়সী অনেকেই দেখেছিলাম আগে! খোজ নিছিলাম লাইফ জ্যাকেটের ব্যবস্থা নেই ।জন্মদিন তো প্রতিবছরই হয় ! আগামীতেও হবে । এবছর নয় কিছু মানুষকে বিপদের হাত থেকে রক্ষা করাই হলো।