সন্তান উৎপাদনে অক্ষম! তাই ল্যাব প্রজাতির সারমেয়কে রাতের অন্ধকারে, নির্জন এলাকার ময়লার স্তূপে ফেলে গেলো মণিব

 

মলয় দে নদীয়া :- গতকাল সকালে নদীয়ার শান্তিপুর শহরের 21 নম্বর ওয়ার্ডের জয় নিতাই মোড়ের কাছে একটি হার্ডওয়ার দোকানের কর্মচারী অভিজিৎ হালদার সকালে দোকান খোলার সময় লক্ষ্য করেন, বেশ কয়েকটি সারমেয় অপর এক প্রজাতির সারমেয় কে ঘিরে আক্রমণ চালাচ্ছে। অভিজিত বাবুর তাদের কাছ থেকে প্রাণে বাঁচিয়ে নিজের দোকানে আশ্রয় দেয়। তারপর থেকে সকলকে জানিয়ে এখনো প্রকৃত মালিক খুঁজে পাওয়া যায়নি! তবে দুএকজন পশুপ্রেমী পশু চিকিৎসকদের সাথে ভিডিও কলের মাধ্যমে আলোচনার ভিত্তিতে আন্দাজ করছেন, সন্তান উৎপাদনে অক্ষম বলেই হয়তো তাকে পরিত্যাগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মনিব। গুরুতর জখম না হলেও ছোটখাটো কিছু অসুস্থতা থাকার কারণে, ইচ্ছা থাকলেও ওই এলাকার কেউ তাকে রাখার সাহস দেখায়নি। আজ সকালে শান্তিপুরের এক পশুপ্রেমী রাজু দাস উদ্ধারকারীদের অনুরোধে শান্তিপুর থানায় গোটা ঘটনার লিখিত জমা দিয়ে, তিনি তার নিজের বাড়িতে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যান। এ বিষয়ে তার অভিজ্ঞতা অনুযায়ী তিনি বলেন, সোশ্যাল মিডিয়ায় আত্মপ্রচারের কারণে অথবা বাড়ির আভিজাত্য বিধির কারণে অনেকেই সারমেয় পুষে থাকেন! বাচ্চা উৎপাদনের পর তা বিক্রি করে মোটা টাকা লাভ করে থাকেন, কিন্তু প্রাথমিক পর্যায়ে আগ্রহ পরবর্তীতে স্বার্থ ক্ষুন্ন হলে গলগ্রহ তে পরিণত হয়।
উদ্ধারকারী অভিজিৎ হালদার বলেন, ব্যবসার কারণে ব্যস্ত থাকি, ইচ্ছা থাকলেও একটা অবলা জীব কে নিয়ে কাণ্ডজ্ঞানহীন কাজ করতে পারবোনা, তাই আপাতত রাজু দাস এর কাছে শুষ্ক হওয়ার পর, সংবাদ মাধ্যমে খবর প্রকাশিত হওয়ার পর কেউ নিতে চাইলে, নিজের পরিবার সদস্য মনে করে আন্তরিকভাবে প্রতি পালনের দায়িত্বের বিষয়ে সকলের লিখিত এবং প্রশাসনিক মধ্যস্থতায় ওকে দেওয়া যেতে পারে।