মলয় দে নদীয়া :- লক্ষ্মী লাভে চারদিকে হুড়োহুড়ি বাধলেও সরস্বতীর আগমনের খুব বেশি আগ্রহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে না । দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ স্কুল কলেজ, শিশু হোক বা কিশোর কিশোরীর সামান্য একটি অংশ নিয়ে অনলাইনে ক্লাস করতে চোখ-কান হাত বা শরীরের অন্যান্য অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে যথেষ্ট বলছেন শিক্ষক-শিক্ষিকারাও। কিন্তু যাদের অনলাইনের ব্যবস্থা নেই অথবা আগ্রহ নেই এমন সংখ্যাটাই কিন্তু বেশি। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে পুজোর পরে বিদ্যালয় খোলার ইঙ্গিত দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী, তবে তৃতীয় ঢেউ সম্পর্কেও যথেষ্ট চিন্তায় সরকার থেকে প্রশাসন! যদিও এরই মধ্যে চলবে উপনির্বাচন।
মাধ্যমিক উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা না হওয়ার নজির বোধহয় এই প্রথম! তবে যদি আগামী শিক্ষাবর্ষ না হয়, তাহলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গুলি নিছকই সিলমোহর দেওয়া ছাড়া আর কোনো কাজই থাকবে না। গত বছরেও এর থেকে অক্টোবর নাগাদ রেজিস্ট্রেশন হয়েছিলো উচ্চমাধ্যমিকের, এবছর একটু আগে। আজ শান্তিপুর মিউনিসিপ্যাল উচ্চ বিদ্যালয়ে এমনই চিত্র ধরা পড়লো আমাদের ক্যামেরায়। অতীতের তিক্ত অভিজ্ঞতার মাঝে আগামী শিক্ষাবর্ষ পরীক্ষা আশায় বুক বেধেছেন ছাত্র-ছাত্রীদের অভিভাবকরা, ছাত্র-ছাত্রীরা জানায় মাধ্যমিক দিতে পারিনি, এরপরেও উচ্চমাধ্যমিক যদি না দিতে পারি, যদি সারা বছরের মূল্যায়ন না হয় তাহলে পড়াশোনার আগ্রহ হারাবে।
শিক্ষক শিক্ষিকারা অবশ্য তৃতীয় ঢেউ তে যথেষ্ট আশঙ্কায় থাকলেও, আশাবাদী পরীক্ষা নিয়ে।

