নদীয়ার শান্তিপুর স্টেট জেনারেল হাসপাতালে এক চোখে ছানি কাটাতে এসে, ইনজেকশন অপর চোখে! বেখেয়ালি ডাক্তারবাবুকে হুশ ফেরালেন রূগী

 

মলয় দে নদীয়া :-চোখের ছানি অপারেশন করাতে এসে গাফিলতির অভিযোগ বেখেয়ালি চিকিৎসকের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটে
শান্তিপুর গোবিন্দপুর এলাকার বাসিন্দা গৌতম দাস বয়স আনুমানিক( 65) গত কয়েক মাস আগে তার একটি চোখে ছানি পড়ার কারণে শান্তিপুর হাসপাতালে কর্মরত এক চিকিৎসককে দিয়ে ছানি অপারেশন করেছিলেন তাতে অনেকটাই সুস্থ হয়েছিলেন তিনি। এর পরেই তার অন্য একটি চোখে আবারও ছানি পড়ে সেই কারণেই আবারও শান্তিপুর হাসপাতালে কর্মরত ওই একই চিকিৎসকের কাছে চিকিৎসা করান গৌতম দাস। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী শান্তিপুর স্টেট জেনারেল হাসপাতালে আসেন ছানি অপারেশনের জন্য, কর্তব্যরত চিকিৎসক
ছানিপড়া চোখে ইনজেকশন না দিয়ে ফোনে এবং অপর এক সহযোগী স্বাস্থ্যকর্মীর সাথে গল্পে মশগুল থাকেন তিনি ফলে রোগী এ বিষয়ে তাকে সতর্ক করতে গেলেও ডাক্তারবাবু কর্ণপাত করতে পারেননি কানে ফোন থাকার কারণে। এর পরেই অস্বস্তিতে পড়ে রোগীর পরিবার। ছানি কাটানোর পরে 3 -4 ঘন্টার মধ্যে সকলেই অপর চোখে দেখতে পান আর সেই কারণেই বাড়ি চলে যান ছুটি নিয়ে। কিন্তু ষাটোর্ধ্ব এই রোগী অস্ত্রোপচার না হওয়া অপর চোখে দেখতে না পাওয়ার কারণে রাত্রি দশটা পর্যন্ত ভর্তি থাকেন শান্তিপুর স্টেট জেনারেল হাসপাতালে । গৌতম দাসের স্ত্রী, চিকিৎসককে প্রশ্ন করেন যদি তার ভালো চোখের কোন ক্ষতি হয় তাহলে তার দায় কে নেবে!। চোখের চিকিৎসক গৌতম দাসের স্ত্রীকে আশ্বস্ত করে বলেন ভয়ের কোন কারণ নেই ! কিন্তু অন্যান্য স্বাস্থ্য কর্মীদের বলেন আগামী তিন-চার দিন তিনি আসবেন না, সন্দেহ আরও দানা বাঁধে ওই পরিবারের মধ্যে। এরপর শান্তিপুর স্টেট জেনারেল হাসপাতালে সুপারের কাছে গিয়ে পরিষ্কার হয়, গোটা বিষয়টি। ডাক্তারবাবু ভুল স্বীকার করে নিয়ে বলেন, ক্ষতি কিছু নেই! একটু দেরিতে বাড়িতে যেতে হবে। রোগীর পরিবারের পাশে আছি। অবশেষে সুস্থ হয়েই বাড়ি ফিরেছেন, ওই রোগী এবং তার পরিবার।