মলয় দে নদীয়া :-গত 2018 সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনে নদীয়ার শান্তিপুর ব্লকের 15 সদস্য বিশিষ্ট বেলঘড়িয়া দু’নম্বর পঞ্চায়েতে বিজেপির প্রতি কে জয়লাভ করা 6 জন সদস্য, তৃণমূল প্রতীকে তিনজন এবং নির্দল প্রতীক চিহ্নে জয় লাভ করে 6 জন প্রতিনিধি। প্রসঙ্গত বর্তমান প্রধান দীপক মন্ডল করেছিলেন নির্দলের প্রতীক চিহ্নেই। সজন নির্দল তৃণমূলে যোগদান করায় বোর্ড গঠিত হয় তৃণমূলের। কিন্তু কিছুদিন আগে উপপ্রধান বিপ্লব প্রামানিক বিজেপিতে যোগদান করায় আস্থা অনাস্থা প্রস্তাব আসে বিজেপির পক্ষ থেকে। আজ সেই আস্থা ভোটাভুটির জন্য পঞ্চায়েত অফিসের দু কিলোমিটার দূর দিয়ে প্রশাসনিক নিরাপত্তা ছিলো চোখে পড়ার মতো। ঘটনাস্থলে নদীয়া দক্ষিণ জেলা তৃণমূল সাংগঠনিক সভাধিপতি রত্না ঘোষ কর, জেলা পরিষদ সভাধিপতি রিক্তা কুন্ডু, মেন্টর বাণী কুমার রায় সহ বেশকিছু নেতৃত্ব এসে দূর থেকে দলীয় কর্মী সমর্থকদের খোঁজখবর নিয়ে চলে যান । হঠাৎই উত্তেজনা বৃদ্ধি হয়, বিজেপি সাংসদ জগন্নাথ সরকার সরাসরি পঞ্চায়েতের মধ্যে ঢোকার কারণে। তৃণমূল কর্মী সমর্থকরা তার গাড়ি ঘিরে গো ব্যাক স্লোগান দিতে থাকেন, অন্যদিকে বিজেপি জেলা নেতৃত্ব নিরঞ্জন বিশ্বাস, টাউন ওয়ান মন্ডল এর সভাপতি বিপ্লব কর অভিযোগ করেন সাংসদকে তৃণমূলী আক্রমণ থেকে উদ্ধার করতে তারা পৌঁছালে তাদের বাঁশ দিয়ে মারধর করে মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে, ভয় দেখানো হয়। অন্যদিকে তৃণমূল ব্লক এ সভাপতি এবং জেলা পরিষদের সদস্য নিমাই চন্দ্র বিশ্বাস জানান, প্রশাসনিক কথার মান্যতা দিয়ে আমরা সকাল থেকে অপেক্ষা করছি এক কিলোমিটার দূরে, সাংসদ ঢুকে উত্তেজনা বৃদ্ধি করলেন। জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের মেন্টর বাণী কুমার রায় বলেন অত্যন্ত নিন্দনীয় ঘটনা, একজন জনপ্রতিনিধির সমস্ত নিয়ম জানা উচিত।
দুপুর দুটো পর্যন্ত বিজেপির সকল সদস্য উপস্থিত থাকলেও এখনো পর্যন্ত কোনো তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্য এসে পৌঁছাননি বলেই অভিযোগ বিজেপির, অন্যদিকে তৃণমূল আশাবাদী নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে পৌঁছানোর দিক থেকে।

