*লোকসভা ভোটের প্রাক্কালে হরিশ্চন্দ্রপুরে ভাঙন কংগ্রেসে,জেলা পরিষদের সদস্য বুলবুল খানের হাত ধরে
পঞ্চায়েত সদস্য সহ শতাধিক কর্মীর যোগ তৃণমূলে,ভয় দেখিয়ে যোগদান অভিযোগ কংগ্রেসের,শুরু রাজনৈতিক তরজা
মালদা: লোকসভার প্রাক্কালে ফের ভাঙন কংগ্রেসে।দীর্ঘদিনের শক্ত গড়ে বড়সড় ফাটল। দল বদলুদের ঘরওয়াপসি অব্যাহত তৃণমূলে। বিগত পঞ্চায়েত ভোটে যে বুথে কংগ্রেসের কাছে ধরাশায়ী হয়েছিল তৃণমূল। যে বুথে লিডের কারণেই কার্যত জেলা পরিষদের লড়াইয়ে মন্ত্রীর ভাইকে হারিয়ে ছিল কংগ্রেস। সেই বুথেই এবার কংগ্রেসের পঞ্চায়েত সদস্য সহ শতাধিক কর্মীর যোগ তৃণমূলে।যদিও এই যোগদানকে গুরুত্ব দিতেে নারাজ কংগ্রেস।ভয় দেখিয়ে চাপ সৃষ্টি করছে তৃণমূল অভিযোগ কংগ্রেসের। লোকসভা ভোটের প্রাক্কালে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানোতোর।মালদার হরিশ্চন্দ্রপুর ২ নম্বর ব্লকের দৌলতনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের ভৈরবপুর বুথে রবিবার এই যোগদান কর্মসূচি হয়।ভৈরবপুর প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে জেলা পরিষদ সদস্য বুলবুল খানের নেতৃত্বে হয় এই কর্মসূচি।সাথে উপস্থিত ছিলেন হরিশ্চন্দ্রপুর ২ নম্বর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি তবারক হোসেন চৌধুরী,যুব তৃণমূল নেতা মনিরুল ইসলাম সহ আরো অনেকে।কংগ্রেসের স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্য হানিকুল ইসলামের সাথে প্রায় শতাধিক কংগ্রেস কর্মী এদিন যোগ দেয় তৃণমূলে এমনটাই দাবি তৃণমূল নেতৃত্বের।যোগদানকারী কংগ্রেসের পঞ্চায়েত সদস্যের দাবি তিনি এক সময় তৃণমূলেই ছিলেন।টিকিট না পেয়ে পঞ্চায়েত ভোটের সময় কংগ্রেসের প্রতিকে লড়ে ছিলেন।এই বুথেই তৃণমূল তৃতীয় হয়ে ছিল।পুনরায় তৃণমূলে ফিরে এলেন মানুষের হয়ে কাজ করার জন্য।এদিকে বুলবুল খানের নেতৃত্বে কংগ্রেসের শক্ত ঘাঁটি ভৈরবপুরে এই যোগদান কর্মসূচির ফলে উচ্ছ্বসিত ঘাসফুল শিবির। বুলবুল খানের দাবি এই বুথ সহ সমগ্র অঞ্চল থেকে বড় লিড পাবে তৃণমূল। প্রসঙ্গত পঞ্চায়েত ভোটে জেলা পরিষদ আসনে এই বুথ থেকে মাত্র ৯৬ টি ভোট পেয়ে ছিল স্থানীয় বিধায়ক তথা রাজ্যের প্রতিমন্ত্রী তাজমুল হোসেনের ভাই জম্মু রহমান। জেলা পরিষদে কংগ্রেসের কাছেই হেরে গেছিলেন জম্মু রহমান।সেই প্রসঙ্গের ভিত্তিতে কংগ্রেসের পাল্টা দাবি ওই বুথ কংগ্রেসের শক্ত ঘাঁটি।কেউ যোগদান করে থাকলে সেটা তৃণমূল ভয় দেখিয়ে করিয়েছে।কেন্দ্রীয় বাহিনীকে বারবার এলাকায় এলাকায় গিয়ে মানুষকে আত্মবিশ্বাস জোগাতে হবে। তাহলেই আর এই ধরনের দল বদল হবে না। ৩০ আসন বিশিষ্ট দৌলতনগর গ্রাম পঞ্চায়েতে কংগ্রেসের এক সদস্য যোগদানের ফলে তৃণমূলের পক্ষে থাকল ১৭।অন্যদিকে কংগ্রেসের ৬,বিজেপির ৫ এবং সিপিএমের ২।

