রাহুল গান্ধীর সাংসদ পদ খারিজের, প্রতিবাদে আজ নদীয়ার শান্তিপুরে, প্রধানমন্ত্রীর কুসপুত্তুলিকা দাহক জাতীয় সড়ক এবং রেল অবরোধ কংগ্রেস কর্মী সমর্থকদের

রাহুল গান্ধীর সাংসদ পদ খারিজের, প্রতিবাদে আজ নদীয়ার শান্তিপুরে, প্রধানমন্ত্রীর কুসপুত্তুলিকা দাহক জাতীয় সড়ক এবং রেল অবরোধ কংগ্রেস কর্মী সমর্থকদের
মলয় দে নদীয়া:- রাহুল গান্ধীর সাংসদ পদ খারিজের প্রতিবাদে সারা দেশের মতন এ রাজ্যের নদীয়ার বিক্ষোভে ফেটে পড়ে জাতীয় কংগ্রেসের কর্মী সমর্থকদের । চার বছর আগের মানহানির মামলার জেরে, ন্যায়ালয় তাঁকে দুই বছর কারাদণ্ড দিয়েছে। আজ বিক্ষোভরত জাতীয় কংগ্রেসের কর্মী সমর্থকরা এই ঘটনাটিকে বাক স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ বলেই মনে করছেন। যেকোন বিরোধী স্বরকে গারদে পুরে শাসন ক্ষমতা নিস্কন্টক করতে চায় মোদি সরকার। কেন্দ্রীয় সরকারি এজেন্সি গুলোকে বিরোধীদের বিরুদ্ধে অনাবশ্যক ব্যবহার এই অপচেষ্টারই ইঙ্গিত দেয়। রাহুল গান্ধীর কন্ঠরোধ এককথায় গনতন্ত্রের টুঁটি টিপে ধরার সামিল। দেশজুড়ে কেন্দ্রীয় অপশাসনের বিরুদ্ধে বাংলা নদীয়ার বিভিন্ন প্রান্তে জাতীয় কংগ্রেসের আজ সকাল থেকেই বিভিন্ন বিক্ষোভ কর্মসূচি লক্ষ্য করা যায়।
শান্তিপুর শহর কংগ্রেসের পক্ষ থেকে, আজ গোবিন্দপুর বাইপাস অবরোধ করে প্রায় আধঘন্টা যাবৎ, সেখানেই প্রধানমন্ত্রীর কুসপত্তুলিকা দাহ করা হয়। এরপর প্রশাসনিক অনুরে তারা সেখান থেকে অবরোধ তুলে নিয়ে , আবারো শান্তিপুর রেলস্টেশন সংলগ্ন এক নম্বর গেটে, লেভেল ক্রসিং এ অবরোধ করে। সেখানেও প্রায় আধঘন্টা যাবৎ বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকে তারা। তাৎক্ষণিকভাবে রেল এবং আর পিএফ এর বিভিন্ন আধিকারিকরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাদেরকে, অনুরোধ জানালে অবরোধ ওঠে।
আজকের এই বিক্ষোভ কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন, নদিয়া জেলা আইএনটিইউসি সভাপতি অলক চ্যাটার্জী, প্রদেশ কংগ্রেস সদস্য সোমনাথ কুন্ডু, শহর কংগ্রেস সভাপতি রাজু পাল, বর্ষীয়ান কংগ্রেস নেতৃত্ব বিজন ঘোষ, শ্যামল দে সহ বিভিন্ন জাতীয় কংগ্রেস এবং গণসংগঠনের নেতৃত্ব।