ধর্ষক এবং খুনির শাস্তি না হওয়া পর্যন্ত জরুরী পরিষেবা বাদে কর্ম বিরতি চলবে সিদ্ধান্ত কল্যাণী জেএন এম হাসপাতালে ডাক্তারি পড়ুয়াদের,
মলয় দে নদীয়া:- চিকিৎসক মানে ভগবান আর সেই ভগবান যখন ধর্ষিতা হয় খুন হতে হয় তখন সমগ্র সমাজ জাগ্রত হবে এটাই স্বাভাবিক। নিগৃহীত হওয়া সেই মহিলা ডাক্তার ২০১২ সালে পড়তেন নদীয়ার জহরলাল মেমোরিয়াল হাসপাতাল কলেজের
মিডিসিন বিভাগে। তাই ক্ষোভের আগুন এখানে অনেকটাই বেশি।কোলকাতা আরজি কর হাসপাতালে ডাক্তারি পড়ুয়া মহিলা ধর্ষনের প্রতিবাদ জানিয়ে অবস্থান বিক্ষোভ কল্যাণী মেডিকেল কলেজ মিডিসিন অফ কল্যানী জে এন এম মেডিকেল পড়ুয়ারা । আজ প্রায় শতাধিক ডাক্তারি পড়ুয়া ইন্টারসিপ এ থাকা ছাত্র ছাত্রী এবং এর হাউস স্টাফ এই বিক্ষোভে শামিল হন।
তাদের দাবি যতক্ষণ পর্যন্ত সঠিক বিচার না হবে তাদের আন্দোলন জারি থাকবে । চলবে কর্মবিরতি তবে এমার্জেন্সি রোগীদের কথা ভেবে জরুরি পরিষেবা চালু থাকবে কিন্তু অনান্য সব ধরনের পরিষেবা বন্ধ থাকবে বলেই জানিয়েছেন তারা।
এদিন বিক্ষোভকারীদের মুখ থেকে জানা যায় সারা জীবন বিভিন্ন মারণ রোগ ব্যাধি কে নির্মূল করতে গিয়ে জীবনের ঝুঁকি পর্যন্ত নিতে হয় চিকিৎসকদের সেই কারণেই চিকিৎসা জরুরী পরিষেবার মধ্যে পড়ে জন্ম থেকে মৃত্যু সমাজের জন্য যারা সেবার কাজে ভর্তি হন তাদের সাথে এ ধরনের পাশবিক আচরণ ইতিহাসে নজিরবিহীন। তাই শাস্তি ও দৃষ্টান্তমূলক হওয়া উচিত। এই কলেজের ছাত্রী সেটা বড় কথা নয় একজন চিকিৎসক হোক বা যে কোন পেশার মহিলাকে ধর্ষণ করে খুন নিন্দনীয় তবে, মানুষের সেবায় নিয়োজিত কোন মহিলা চিকিৎসককে এই পরিনাম পেতে হয় তা শুধু চিকিৎসক মহলে নয় লজ্জার গোটা সমাজের কাছে। পুলিশ প্রশাসনের কাছে আর্জি সমাজ সুস্থ রাখতে গেলে চিকিৎসা পরিষেবার সাথে যুক্ত মানুষদের সুরক্ষা দিতে হবে না হলে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কেউ আর এই পরিষেবা দিতে এগিয়ে আসবে না।

