নদীয়া,মাধব দেবনাথ
নজরে মতুয়া ভোট। তাই মতুয়া অষ্দ্ধুষিত এলাকায় বিশেষ জনসংযোগ তৃণমূলের। রানাঘাট লোকসভাকেন্দ্রে একটা বড়ো অংশ রয়েছে মতুয়া ভোটব্যাংকের। তাই সেই দিকটা বিশেষ ভাবে নজর রাখছে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। তারউপর এবারে শাসকদলের প্রার্থীও হয়েছেন মতুয়া পুত্র ডাঃ মুকুটমণি অধিকারী। তাই মতুয়া ভোট ব্যাংক অনেকটাই প্রভাব ফেলবে বলে আশাবাদী তৃণমূল কংগ্রেস। অপরদিকে মতুয়াদের দাবি ছিল নিঃস্বর্ত নাগরিকত্ব। তবে কেন্দ্রীয় সরকার যে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন সামনে এনেছে তাতে করে সেই আইনের গ্যারাকলে পরে মুতুয়াদের আসল দাবি লাভ হয়নি। তাই মতুয়াদের একটা বড়ো অংশ এখন মুখফিড়িয়েছে বিজেপির থেকে। তারা জানিয়েছেন তাঁদের কে আশা দেখানো হয়েছে, প্রতারণা করা হয়েছে তাই এবার তৃণমূলের সাথে হাতধরে বিজেপিকের উৎখাত করতে হবে। তবে শুধু মতুয়া সম্প্রদায়ের মানুষ নন বর্তমান তৃণমূল প্রার্থী মুকুটমণি অধিকারী ও সুর চড়িয়েছেন এই কালা আইনের বিরুদ্ধে তিনি জানাচ্ছেন সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষজন এই গ্যারাকলে পড়ে তাদের দিনানা দিন খাওয়া পরিবারের পাশে দাঁড়াতে পারবেনা বিজেপি সরকার যেভাবে মানুষকে বোকা বানাচ্ছে এবং মতুয়াদের নিয়ে তাদের সেন্টিমেন্ট নিয়ে ছিনিমিনি খেলছে তা সত্যি ঘৃণ্য বিষয়। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একের পর এক জল কল্যাণ মূলক প্রকল্প সাধারণ মানুষের জন্য নিয়ে এসেছে মানুষ জন্মানো থেকে মৃত্যু পর্যন্ত আজ বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে উপকৃত মতুয়াদের বিশেষভাবে আগলে রেখেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। তৈরি করেছেন মতুয়াদের জন্য বিশেষ কলেজ এবং মতুয়া সম্প্রদায়ের প্রতি এতটাই ভালোবাসা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তাতে এই সমস্ত মানুষজনকে তিনি কোনদিনই ঠকাবেন না তাদের হকের পাওনা লড়াইয়ের মাধ্যমে তাদেরকে ফিরিয়ে দেবেন। সেরকমই নদীয়ার শান্তিপুর ব্লকের বিভিন্ন মতুয়া অধ্যুষিত এলাকায় হুটখোলা গাড়িতে চেপে শান্তিপুরের বিধায়কিশোর গোস্বামী কে সঙ্গে নিয়ে ব্লক স্তরের বিভিন্ন জায়গায় জনসংযোগ করলেন তৃণমূল প্রার্থী মুকুটমনি অধিকারী এদিন বিধায়ক এবং প্রার্থী মুকুটমনি অধিকারী হরিচাঁদ গুরুচাঁদ মন্দিরে প্রণাম করে নিজের হাতে মতুয়া সম্প্রদায়ের ডঙ্কা বাজালেন তার সঙ্গে আজই সিপিআইএম প্রার্থী অলকেশ দাস মুকুটমনি অধিকারী কে কটাক্ষ করে বলেন ডঃ মুকুটমনি অধিকারী কিছুদিন আগেই যখন বিজেপিতে ছিলেন তখন মোদির নামে গুণগান গেয়েছেন পোস্ট করেছেন সামাজিক মাধ্যমে এবং দল বদলে এখন নাগরিকত্ব আইনের বিপক্ষে গিয়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর গুনগান গাইছেন সুতরাং এনারা নিজেরাই জানেন না আজ কোথায় কাল কোথায় তাই মানুষ তাদেরকে ভোট দেবেন না এই কথার পরিপ্রেক্ষিতে তৃণমূল প্রার্থী অধিকারী বলেন উনি একজন শিক্ষিত মানুষ শুধুমাত্র ভোটের বাজার গরম করতেই তিনি এরকম মন্তব্য করেছেন তিনি যদি ব্যাখ্যা দিয়ে এই ঘটনা বলতেন তাহলে বেশি খুশি হতাম অপরদিকে জয়ের ব্যাপারে ১০০ শতাংশ আশাবাদী হয়ে শান্তিপুরের বিধায়ক ব্রজকিশোর গোস্বামী বলেন অমিত শাহ বাংলা এসে বলেছিলেন আপকি বার ২০০ পার তবে ২০০ পার হয়েছিল ঠিকই সেটা তৃণমূল কংগ্রেসের। এবারও যদি বিজেপি বলে থাকে তারা প্রচারে এগিয়ে বলতে পারেন কারণ সার্টিফিকেট টা তৃণমূল কংগ্রেস এ নেবে

