ধর্ম যার যার বড়মা সবার’-জানতে ইচ্ছে করে নৈহাটির বড়মা আরাধনার ইতিহাস

নিজস্ব প্রতিবেদন,মৌমিতা দেবনাথ:
ধর্ম যার যার বড়মা সবার’-জানতে ইচ্ছে করে নৈহাটির বড়মা আরাধনার ইতিহাস।
বছরের পর বছর ধরে নৈহাটির বড় মা পূজিত হয়ে আসছেন। ধর্ম যার যার বড় মা সবার এই মতেই নৈহাটির বড়মা পূজিত হন। কার্তিক মাসের অমাবস্যা তিথিতে ১২ কেজি ওজনের সোনার গয়না এবং ২০০ কেজির অন্যান্য গয়না সহযোগে মাকে সাজানো হয়। সর্বমোট ২১২ কেজির গয়নায় সেজে ওঠেন বড়মা। কিন্তু জানেন কি এই বড় মা পূজোর ইতিহাস। জানতে হলে বেশ বহু বছর পেছনে যেতে হয় জানা যায় ভবেশ চক্রবর্তী নামে নৈহাটির এক ব্যক্তি নিজের বন্ধুদের সাথে নবদ্বীপের রাসযাত্রা দেখতে গিয়েছিলেন। এবং সেখানে অত বড় বড় মূর্তি দেখে তিনি ঠিক করেন যে নৈহাটিতেও তিনি এমন বড় করে পূজা করবেন। যেমন ভাবনা সেরকম তার কাজ সেই থেকেই ১২ ফুট দৈর্ঘ্যের মূর্তির রূপে বড় মা পূজিত হয়ে আসছেন। লক্ষ্মী পুজোর দিন কাঠামো পুজোর মাধ্যমে শুরু হয় মায়ের মূর্তি তৈরীর কাজ। এবং মাত্র ১৫ দিনের মধ্যেই মাকে সাজিয়ে তোলা হয়। সেই থেকে এখনো পর্যন্ত মায়ের পুজোর জন্য কোনরকম চাঁদা তোলা হয় না। স্থানীয় মানুষের সাহায্যেই মায়ের পূজো হয়ে আসছে এত বছর ধরে তবে পূজো জিনিস শুরু করেছিলেন সেই ভবেশ চক্রবর্তী এখন আর বেঁচে নেই এবং পুজোর জন্য মায়ের ভোগের ব্যবস্থা করা হয় তাদের বাড়ি থেকে। কার্তিক মাসের অমাবস্যা তিথিতে কালীপুজোর দিন দক্ষিণা কালি রূপে পূজিত হন নৈহাটির বড়মা এবং তিনি কৃষ্ণ বর্ণা। দূর দূরান্ত থেকে বহু মানুষ বড়মার দর্শনের জন্য কালীপুজোর সন্ধ্যায় হাজির হয় নৈহাটিতে। কথিত আছে নিজের মনের ইচ্ছে মাকে বললে বড়মা নাকি তা পূর্ণ করেন। কারণ বড়মার কাছ থেকে কেউ নাকি খালি হাতে ফিরে যান না।