নিজস্ব প্রতিবেদন,মৌমিতা দেবনাথ:
গুটি গুটি পায়ে ১৩ বছরে পদার্পণ চাকদহ পৌরসভার পলি ক্লিনিক এবং প্যাথলজিক্যাল সেন্টারের
কথায় আছে চকচক করলেই সেটা সোনা হয় না, কথাটি যে একদম সত্যি তা আরও একবার প্রমাণ করলো চাকদা পৌরসভা নিজস্ব পলি ক্লিনিক এবং প্যাথলজিকাল সেন্টার। আজ সেই সেন্টার ১৩ বছরে পা দিল। অনেক জায়গায় নতুন নতুন প্যাথলজি ডায়াগনস্টিক সেন্টার তৈরি হলেও চাকদার মানুষের সবচেয়ে বড় বিশ্বাস এবং ভরসার জায়গা হচ্ছে এই প্যাথলজিক্যাল সেন্টার। বর্তমানে নতুন বউর আসার পরে সাধারণ গরিব মানুষের কথা চিন্তা করে সমস্ত রকমের রক্ত পরীক্ষা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এই সেন্টারকে। শুধু তাই নয় এর সাথে আছে এক্সরে ও আলট্রাসনো গ্রাফির মত পরিষেবা ও। প্রচুর রকমের রক্ত পরীক্ষা আছে যে এসব পরীক্ষাগুলো অত্যন্ত ব্যয় সাপেক্ষ যা সাধারণ গরিব মানুষদের পক্ষে করা অনেক সময় অসম্ভব হয়ে ওঠে। তাই যে সমস্ত রক্ত পরীক্ষা গুলো আগে প্যাথলজিক্যাল সেন্টারে হতো না নতুন বোর্ড আসার পরে পৌর প্রধান উপ পৌর প্রধান এবং পৌর পরিষদ ঠিক করেন কোন সাধারণ মানুষ এখানে এসে ফিরে যাবে না, তাই বর্তমানে সমস্ত রকম ব্যয়বহুল পরীক্ষা এখানে করানো হচ্ছে। সংস্থার কর্ণধারদের আরো দাবি যে খুব তাড়াতাড়ি তারা আলট্রাসনোগ্রাফি চালু করবেন এবং ভবিষ্যতে আরো অত্যাধুনিক পরিষেবা তারা সাধারণ মানুষের জন্য নিয়ে আসবেন। এছাড়াও এখানে চালু আছে ডিজিটাল এক্স-রে ব্যবস্থা।সাধারণ গরিব মানুষদের জন্য চাকদা পৌরসভার পলি ক্লিনিক এবং প্যাথলজিকাল সেন্টারের দরজা সর্বদা খোলা।
এছাড়াও পৌর পলি ক্লিনিকে বিভিন্ন ডাক্তাররাও এখন বসছেন। প্রত্যেক বুধবার এবং বৃহস্পতিবার বিকেল পাঁচটা থেকে বসছেন গাইনো স্পেশালিস্ট ডাক্তার দেব জিৎ রায় উনি এই প্যাথলজিক্যাল সেন্টারে বিগত ১০ বছর ধরে বসছেন। প্রত্যেক সোমবার বিকেল সাড়ে পাঁচটা থেকে বসছেন সুগার এবং থাইরয়েড স্পেশালিস্ট ডক্টর পরিতোষ সরকার। চাকদা পৌরসভার এই পলি ক্লিনিক এবং প্যাথলজিক্যাল সেন্টার কে অনেক শুভেচ্ছা আগামী দিনে তারা আরো ভালো কাজের মাধ্যমে এভাবেই সাধারণ মধ্যবিত্ত ও গরিব মানুষদের পাশে দাঁড়াক।

