আমেরিকা থেকে ভালোবাসার টানে ভারতে পারি যুবতীর
একেই বলে সাত সমুদ্র তেরো নদী পার করে ভালবাসার মানুষের কাছে প্রেমের টানে পৌঁছে যাওয়া। প্রেমিক থাকেন মুর্শিদাবাদে আর প্রেমিকা থাকেন আমেরিকায় শুধুমাত্র ভালবাসার টানেই সহস্র কিলোমিটার পথ পার করে শয়তান প্রেমিকের বাড়িতে হাজির হলো যুবতী। প্রেমের এই কাহিনীর সূত্রপাত হয়েছিল দুজনের সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে। মুর্শিদাবাদের রাণীনগর থানার মোশারফ হোসেনের প্রেমিকার নাম আমেরিকার ফারহানা আক্তার। জন্মসূত্রে তিনি ভারতীয় হলেও আমেরিকায় তার বাস তিন বছর চুটিয়ে তারা দুজনে প্রেম করে এবং এর পরেই ওই তরুণী হাজির হয়ে যান প্রেমিকের বাড়িতে। তবে ফারহানা জানান যে শুরুতে তাদের সম্পর্কে কেউ সায় দেয়নি কারণ ফারহানা আমেরিকা নিবাসী এবং তার প্রেমিক থাকে মুর্শিদাবাদে। মোশারফ এর পরিবার প্রথমে মেনে না নিলেও পরে তাদের জেদের বসে সম্পর্কে সায় দিতে রাজি হয় দুই পরিবার। তবে তাদের সম্পর্কে অখুশি নয় পরিবারের কেউই বরং পরম আদরে তারা তাদের ছেলের বউকে ঘরে বরণ করেছে এবং আহ্লাদে আটখানা হয়েছে মোশারফ এর বাবা এবং মা দুজনে। মোশারফ জানান যে অনলাইনে মাধ্যমেই তাদের আলাপ টিকটকে অসংখ্য ফলোয়ার ছিল মোশাররফের সেখানে তিনি প্রতিনিয়ত ভিডিও আপলোড করতেন তারপর হঠাৎ সোশ্যাল মিডিয়া তিনি বন্ধ করে দেন কিন্তু আফসানা তাকে প্রতিনিয়ত মেসেজ করত আর সেখান থেকেই সূত্রপাত তাদের প্রেম কাহিনী। বিদেশি ছেলের বউকে দেখতে তাদের বাড়িতে হাজির হয়েছে পাড়া-প্রতিবেশী অনেকেই এবং ফারহানা ও হাসিমুখে সকলের সাথে মিশে কথা বলছে এক্কেবারে যেন বাড়ির মেয়ে হয়ে উঠেছে।

