‘প্রজাপতির’ ডানায় কি তবে রাজনীতির রং ধরল ?

নিজস্ব প্রতিবেদন,মৌমিতা দেবনাথ,
‘প্রজাপতির’ ডানায় কি তবে রাজনীতির রং ধরল ?
প্রজাপতি যার ডানায় থাকে হরেক রকমের রং। কিন্তু এবার কি প্রজাপতির ডানায় রাজনীতির রং লাগল? কথা হচ্ছে দেব এবং মিঠুন চক্রবর্তী অভিনীত প্রজাপতি ছবিটি নিয়ে। গত কয়েকদিন ধরেই বিতর্কের অন্য নাম হয়ে উঠেছে প্রজাপতি। শীতের মরশুমে বঙ্গের উত্তাপ বাড়াচ্ছে প্রজাপতি রাজনীতি।কিন্তু হঠাৎ কেন ছবি ঘিরে এত বিতর্ক। আসলে দেব এবং মিঠুন চক্রবর্তী অভিনীত এই ছবিটি জায়গা পায়নি নন্দনে। আর সেই থেকেই বিতর্কের সূত্রপাত।গত রবিবার বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ অভিযোগ তোলেন, মিঠুন চক্রবর্তী বিজেপি নেতা হওয়ার জন্যই নন্দনে জায়গা পায়নি তাঁর অভিনীত ছবি ‘প্রজাপতি।এখানেই থেমে থাকেননি দিলীপ ঘোষ। এরপরেও তাঁর অভিযোগ, গত লোকসভা নির্বাচনে নাকি তৃণমূলের হয়ে লড়তে চাইছিলেন না দেব, তখন তাঁর ব্যবসা বন্ধ করে দেওয়ারও চেষ্টা চলেছিল।প্রজাপতি নন্দনে মুক্তি না পাওয়া নিয়ে তৈরি হওয়া বিতর্কে ইতি টানতে গত শনিবারই একটি ট্য়ুইট করেন ঘাটালের তৃণমূল সাংসদ। সেখানে তিনি লেখেন, ‘এবারের মতো নন্দনকে মিস করলাম। কোনও বিষয় নয়। আবার দেখা হবে। গল্পের এখানেই ইতি।’ তবে বিতর্ক এখানেই থেমে থাকেনি, যখন প্রজাপতি ছবিটির সাথে রাজনৈতিক তরজা জোরদার হয়ে উঠেছে তখন আবারো মুখ খুলতে হয় দেবকে। অভিনেতা বলেন,অভিনয় করে আমি রাজনীতিতে এসেছি। আমি দেব হয়েছি সিনেমার জন্য়। রাজনীতি করে আমি দেব হইনি। আমার কাছে দুটো জগৎ আলাদা। সৎ ভাবে দুটো জগতেই কাজ করার চেষ্টা করেছি। কেউ বলতে পারবে না যে, আমার রাজনৈতিক ক্ষমতা দেখিয়ে আমি কাউকে কাজ থেকে বঞ্চিত করেছি বা ছবিতে নিইনি। তবে এ বিষয় এখনো পর্যন্ত মিঠুন চক্রবর্তী তরফে কোনরকম প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।