নিজস্ব প্রতিবেদন, মৌমিতা দেবনাথ,
হিমঘরে চোরাই আলুর কারবার চলাকালীন হাতেনাতে পাকড়াও অসাধুব্যবসায়ীরা।চারিদিকে প্রায় দিনই ধরা পড়ছে চোরাই আলুর কারবার। আর এবার হিম ঘরে মানুষের খাওয়ার আলু কে বিজ আলু হিসাবে প্যাকেটজাতকরণের সময় হাতেনাতে ধরা পরল চোরাই ব্যবসায়ীরা। খাওয়ার
আলুকে বিজ আলু হিসাবে বস্তা বন্দি করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল বর্ধমান জেলায়। বৃহস্পতিবার রাতে ধনিয়াখালীর একটি হিমঘরে ধরা পড়েছে এই দৃশ্য। পশ্চিমবঙ্গের আলু সুরক্ষা কমিটির সদস্যরা হাতেনাতে পাকড়াও করে ওই ব্যবসায়ীদের।এমনকি আলুর বস্তার উপরে স্টিকার ও লাগানো হয়ে গেছিল। হাতেনাতে পাকড়াও করবে ওই ব্যক্তিরা জানান যে চোরাই আলুর ব্যাপারে তারা নাকি কিছুই জানেন না আর এদিকে। কিভাবে হচ্ছে খাবার আলুকে বীজ আলুতে পরিণত করার কাজ। হিমঘরে খাদ্য মজুদ করা হয় অন্য মরশুমের জন্য যাতে মরশুমের খাবার মানুষ সারা বছর খেতে পারে। তাই খাবার আলুকে বীজ আলুতে পরিণত করে অন্য রাজ্যে তা চাষীদের কাছে বিক্রি করে মুনাফা লাভ করতে চায় একদল অসাধু ব্যবসায়ী। পাঞ্জাবের বস্তা পাঞ্জাবের স্টিকার এমনকি বস্তার মুখ সেলাই করার জন্য যে যে সুতো ব্যবহার করছে সেটাও নাকি পাঞ্জাবের। তার মানে এই দাঁড়ায় যে পাঞ্জাবের প্যাকেটে খাবার আলুকে বিজ আলুতে রূপান্তরিত করে তা বাজারে ছেড়ে আরও বেশি টাকা লাভ করতে যায় ব্যবসায়ীরা। এই নকল কারবার বন্ধ করতে একাধিক পদক্ষেপ গ্রহণ করার কথাও জানিয়েছিলেন, রাজ্য আরও কমিটির সভাপতি তথা চন্দ্রকোনা তৃণমূল বিধায়ক উত্তরা সিং। তবে এখনো পর্যন্ত কেন নেওয়া হয়নি কোনো রকম উপযুক্ত ব্যবস্থা কিভাবে দিনের পর দিন প্রশাসনের নজর এড়িয়ে চলছে আলুর অসাধু কারবার তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে নানা মহলে।

