সাংসদ বাজালেন পিয়ানো, বিধায়ক উদ্বোধন করলেন বই, গানে গানে পালিত হলো শান্তিপুরে ৫০ বছরের সংগীত সাধক সুনীল বঙ্গর কীর্তি
মলয় দে নদীয়া :- আজ শান্তিপুরের বিখ্যাত সংগীত শিল্পী ও শিক্ষক শ্রী সুনীল বঙ্গ মহাশয়ের সংগীতযোগের পঞ্চাশ বছর পূর্তী উপলক্ষে শান্তিপুর লাইব্রেরীর মঞ্চে একটি মনোরম অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছেন সুনীলবাবুর ছাত্র-ছাত্রী ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা।
সুনীলবাবু মাত্র ১৫ বছর বয়সে ১৯৭২ সালে তাঁর সংগীত চর্চা শুরু করেন প্রয়াত শিল্পী নারায়ন চন্দ্র দালাল মহাশয়ের হাত ধরে। পরবর্তী তে অনেক গুনী ও পন্ডিত মানুষের সন্নিধে এসেছেন তিনি। বহু ঘাত প্রতিঘাতের মধ্যে দিয়ে অভাবের সংসারে তাঁত বুনে জীবন জীবিকা অতিবাহিত করেও সঙ্গীতের চর্চা কখনো ছাড়েননি। তার ছাত্রছাত্রীরা বর্তমানে সংগীত জগতে অনেকেই বিখ্যাত হয়েছেন। বর্তমানে আজও তার শতাধিক ছাত্র-ছাত্রীকে নিয়মিত অনুশীলন করিয়ে থাকেন। শান্তিপুরের অপর এক বিখ্যাত লেখক অশোক দত্ত শোনালেন সঙ্গীত নাটক বাদ্যযন্ত্র এবং অন্যান্য সাংস্কৃতি চর্চায় শান্তিপুরের সেকাল একালের কাহিনী। বিধায়কিশোর গোস্বামী উদ্বোধন করলেন সংগীত সাধনায় পঞ্চাশ বছরের কর্মকির্তির একটি বই। সংসদ জানালেন, রাজনীতিতে প্রবেশের পর সাংসদ হিসেবে পরিচিতি এবং কর্মকাণ্ড অনেক বৃদ্ধি হলেও সুনীলবাবু আমার সংগীত এবং হারমোনিয়াম শিক্ষাগুরু। আগামী কাল শিক্ষক দিবস সেই উপলক্ষে গুরুর প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে বহু বছর বাদে তিনি বাজালেন পিয়ানো। শান্তিপুর পাবলিক লাইব্রেরী হলে নাচে গান কাটলো সারা সন্ধ্যা। আপ্লুত সুনীল বাবু জানালেন, সংগীত একটি প্রবাহ কমে গঙ্গার গতিপথ বদলের মতন সুর তাল লয় পরিবর্তিত হলেও নিজের খেয়াল খুশি মতোই বয়ে চলে প্রবাহমান কাল ধরে। তিনি তার কিছুটা স্বাদ নেওয়ার চেষ্টা করেছেন মাত্র, তার মতে ধারক বাহক বলে কিছু হয় না। বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংস্থা ক্লাব শুভাকাঙ্ক্ষীরা মানপত্র, উপহার তুলে দিলেন সুনীল বাবুর হাতে।

