মলয় দে নদীয়া:- উন্নয়নের বন্যা রাজ্যজুড়ে বইলেও নদিয়া নাকাশীপাড়া থানা এলাকার ভাগিরথী তীরবর্তী চরকুমলিপাড়ায় বইছে, ভাগিরথি উপচেপড়া জল! ধূমধাম করে গোটা রাজ্যে আদিবাসী দিবস পালিত হলেও, বিছিন্ন এই গ্রামে মূলত তপশিলি জাতি এবং উপজাতি শতাধিক পরিবার জলবন্দী হয়েছেন বেশ কয়েকদিন যাবৎ। জলে ভেসে আসা কীটপতঙ্গ সাপের কামড় তো দূরে থাক! নূন্যতম ত্রিপল ,ত্রান কিছুই পৌঁছায় নি এখনও! বিদ্যুৎতের স্বাদ কোনোদিনই পায়নি এ গ্রামের অধিবাসীরা! তবে সন্ধ্যার পর কোনরকমে টিমটিম করা কয়েকটি প্রদীপের মতন আলোর ব্যবস্থা হয়েছিল সৌর বিদ্যুতের মাধ্যমে। দশ দিন চলার পরে তাও বিকল হয়েছে সারানোর নামগন্ধ নেই ব্লক অফিস থেকে। কৃষিপ্রধান এই অঞ্চলে বেগুন ঢেড়স লঙ্কার আনাজ খেত জলের তলায়! উপার্জন তো দূরে থাক! দুবেলা দুমুঠো অন্ন জুটছে না তাদের। হঠাৎ অসুস্থ হয়ে গেলে, বেথুয়া হাসপাতালে যাওয়ার কোন উপায় নেই, অনেক দূরের ঘুরপথে নবদ্বীপের প্রতাপনগর ছাড়া অন্য কোন উপায় নেই। না শুধু এলাকাবাসীদের অভিযোগ নয়! আক্ষেপের সুর স্থানিয় পঞ্চায়েতের সদস্যা উর্মিলা দেবী গলাতেও। অত্যন্ত অসহায় বোধ করছেন, আদিবাসী সম্প্রদায়ভুক্ত মেম্বার হিসেবে জয়লাভ করেও বর্তমান সরকারের অংশ হিসাবে পঞ্চায়েত সদস্যা হয়েও চরম সংকটময় মুহূর্তে তাদের পাশে না থাকতে পারার জন্য। বারংবার ব্লক অফিসে ফোন করে জানিয়েও ফল মেলেনি। তাই হতাশ তিনি নিজেই।

