শান্তিপুর পৌরসভার উদ্যোগে অন্ধকার মুক্ত শহরের পাঁচ নম্বর ওয়ার্ড

মলয় দে নদীয়া:- শান্তিপুর পুরসভার উদ্যোগে শহরের পাঁচ নম্বর ওয়ার্ড আজ অন্ধকার মুক্ত হলো সম্পূর্ণভাবে। চেয়ারম্যান সুব্রত ঘোষ তিনটি হাই মার্স লাইট এবং ২২ টি পোল মার্স প্রয়োজনের নিরিখে ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সাধারণ মানুষের চাহিদায় আজ উদ্বোধন করেন। তিন নম্বর রেলগেট ঘোষপাড়া সংলগ্ন নতুন বসতি এলাকায় দশটি পোল মার্স বসানো হয়, স্মৃতি নগরে একটি দেশবন্ধু কলোনিতে একটি এবং ছোটো রানাঘাট কবরস্থানের মধ্যে একটি হাইমাস লাইট লাগানো হয়। এই কবরস্থানের সামনে রাস্তায় 12 টি পোলমার্স লাইট লাগানো হয়। যদিও এই স্থানটি শহর বহির্ভূত বেলঘড়িয়া 2 নম্বর পঞ্চায়েতের অন্তর্ভুক্ত। এ প্রসঙ্গে চেয়ারম্যান সুব্রত ঘোষ বলেন, সারাগর রাজাপুর এলাকার মুসলমান সম্প্রদায়ের মানুষের কবরস্থানে আসা যাওয়ার সমস্যা বটেই শহর থেকে গ্রামে যাওয়ার রাস্তা হওয়ায় অন্ধকার কাটিয়ে আলোকিত করার অত্যন্ত প্রয়োজন ছিল তাই এই স্থান আলোকিত করার প্রয়াস। যদিও প্রত্যেক কবরস্থানে শান্তিপুর পৌরসভার তত্ত্বাবধানে চলে সেইদিক থেকে বিচার করলেও দায়বদ্ধতা থেকে যায় পুরসভার। সম্প্রতি বেশ বেশ কয়েক বছর যাবত কবরস্থানে মৃতদেহের শরীরের বিভিন্ন অংশ কেটে নিয়েছে দুষ্কৃতীরা।
তা নিয়ে গোটা সমাজ মনঃক্ষুণ্য ছিল, প্রশ্ন তুলেছিলো নিরপত্তার। যদিও শান্তিপুর পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিরাপত্তা আরো জোরদার করা হয়েছে, আলোকিত হওয়ার পর এ ধরনের দুষ্কর্ম কিছুটা কমবে বলেই তিনি মনে করেন। তবে কবরস্থানের মৃত ব্যক্তির নিবন্ধকরণ সম্পর্কে তিনি বলেন আরো বেশ কিছু কাজ বাকি আছে যা ধীরে ধীরে হবে। তবে মৃতদেহ র অঙ্গহানির মত ঘটনা ঘটিয়ে দুষ্কৃতীরা ধর্মের বিভাজন চাইছে। তাতে বিচলিত না হয়ে পুরসভার উপর আস্থা রাখার জন্য তিনি ওই এলাকার সমস্ত মসজিদ কমিটির প্রতিনিধি এবং মুসলমান সমাজের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। অন্যদিকে বিভিন্ন মসজিদ কমিটির পক্ষ থেকেও পুরসভার এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানানো হয়েছে।
প্রত্যেক উদ্বোধনে উপস্থিত ছিলেন পাঁচ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রভাত বিশ্বাস সহ পুরসভা প্রতিনিধি এবং স্থানীয় দলীয় কর্মী সমর্থকগণ।