শান্তিপুর আড়বান্দী দু’নম্বর পঞ্চায়েত প্রধানের দাবি অনুযায়ী, এলাকায় একটি পুকুর পাড়ে বেনিয়মে ৪০টি গাছ কাটায় নাম জড়ালো সংসদের

মলয় দে নদীয়া :-নদীয়ার
শান্তিপুর আরবান্দি পঞ্চায়েতের ডংক্ষীরা নিমতলা বাজার সংলগ্ন, এলাকায় সংসদ জগন্নাথ সরকারের নিজের বাসস্থানের কিছুটা দূরে একটি জমির পুকুর পাড়ে ১৭০ টি লম্বু গাছের মধ্যে প্রায় ১০০ টি কাটা হয়েছে বিগত দুদিন যাবত সময় ধরে।
গতকাল, শান্তিপুর পলাশগাছি বিট অফিসে এলাকাবাসীরা জানালে আধিকারিক ঘটনাস্থলে পৌঁছে, গাছ কাটা বন্ধ করেন এবং কাটা গাছ গুলির অংশ এবং সমগ্র গাছ মিলিয়ে প্রায় 40 টি কাছাকাছি সিজ করেন।
সিজার লিস্ট অনুযায়ী, জানা যায় ওই জমির মালিক দিলীপ পালের দুই ছেলে দিনেশ এবং দীপক পাল।
তবে এলাকার পঞ্চায়েত প্রধান, অভিযোগ তুলেছেন, সংসদ জগন্নাথ সরকারের তত্ত্বাবধানেই ওই গাছ বেশ কয়েক বছর আগে লাগানো এবং বর্তমানে কাটা হয়েছে। সংসদ ঘনিষ্ঠ এক ব্যক্তির নাম অন্য থাকলেও আদতে মালিক তিনিই।
তবে এ বিষয়ে তিনি আমাদের জানান লিখিত অভিযোগ করা হয়নি, কারণ বনদপ্তর শান্তিপুর থানার পুলিশ ইতিমধ্যেই উপস্থিত হয়ে খতিয়ে দেখছেন। এবং তাদের উপর পূর্ণ আস্থা আছে সাধারণ মানুষ হোক বা জনপ্রতিনিধি অন্যায় হলে কেউই রেহাই পাবে না। তবে শুধু প্রধান বলছেন এমনটা নয় ওই এলাকার এক কৃষক দীপু মজুমদার, বলেন জগন্নাথ সরকারের নেওয়া লিজের মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়েছে, তবে সাংসদের হাতে লাগানো ওই গাছ কাটার ব্যাপারে তিনি ব্যবস্থা করে দিয়েছেন।
যদিও জমি মালিক দীনেশ এবং দীপক পালের দেশ অনুযায়ী গাছ কাটতে যাওয়া বিশ্বজিৎ বাগ আমাদের জমির পর্চা দেখিয়ে বলেন এই জমির মালিক সাংসদ নন।
এ বিষয়ে সাংসদ জগন্নাথ সরকারকে যোগাযোগ করলে আমরা জানতে পারি অধিবেশন চলার কারণে তিনি বর্তমানে দিল্লিতে রয়েছেন। তবে তিনি দূরভাষে জানান, সামনে পঞ্চায়েত নির্বাচন তাই, তৃণমূলে গুরুত্ব পাওয়ার জন্য অতীতে নির্দল থেকে জয়লাভ করা প্রধান এখন দলের ঘনিষ্ট হতে চাইছে। বর্তমান ডিজিটাল ইন্ডিয়ার যুগে দাগ নাম্বার খতিয়ান নাম্বার বাড়িতে বসে মোবাইল থেকেই জানা যায় কার নামে জমি। সে রাস্তায় না হেঁটে একজন সাংসদদের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে কালিমালিপ্ত করার অপচেষ্টা করেছে এর আগেও বারবার। তবে মানুষ যোগ্য জবাব দিয়ে রেকর্ড ভোটে জিতিয়েছে আমায়, আগামীতেও তা হতে চলেছে।