মলয় দে নদীয়া :-নদীয়ার শান্তিপুর পুরএলাকার বিভিন্ন জায়গায় মাটি কেটে গাড়ি করে নিয়ে যাবার সময় পিছে রাস্তায় সেই মাটি পরে দুর্বিসহ হয়ে উঠেছে।মাটি পড়ে রাস্তার অবস্থা বেহাল। সামান্য বৃষ্টিতেই সেই মাটি কাদায় পরিণত হয়ে মানুষের চলাচলের অযোগ্য হয়ে উঠছে। গরমকালে সেই মাটি থেকে উড়ছে প্রচন্ড ধুলো। অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ শান্তিপুরের মতিগঞ্জ মোড় থেকে গুপ্তিপাড়া ঘাট যাওয়ার রাস্তায় রবিবার সকালের সামান্য বৃষ্টিতেই পিচের রাস্তা মাটির রাস্তায় পরিণত হয়েছে। সেই মাটি হয়ে উঠেছে কর্দমাক্ত। পথ চলতি মানুষরা পড়ে গিয়ে ঘটছে দুর্ঘটনায়। রাস্তা দিয়ে যাত্রী নিয়ে বিপজ্জকভাবে চলাচল করছে টোটো এবং অন্যান্য গাড়ি। বিষয়টি নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই সাধারণ মানুষের ক্ষোভ ক্রমশ বাড়ছে। স্থানীয় মানুষের অভিযোগ, রাস্তা দিয়ে মাটির গাড়ি যাওয়ার জন্য জন্য রাস্তার অবস্থা দিনের পর দিন বেহাল হয়ে উঠছে। রাস্তা দিয়ে টোটো বা অন্যান্য গাড়ি চালানো যাচ্ছে না। বিপদজনক হয়ে উঠছে রাস্তা। ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়ক কাজ সমাপ্ত না হওয়ার কারণে জেলা শুধু নয় জেলার বাইরেরও বিভিন্ন যাত্রী পরিবহন মাল পারাবার এবং ব্যক্তিগত গাড়ি অল্প সময়ে হুগলি জেলা বা হাওড়া অথবা কলকাতা যাওয়ার জন্য ব্যবহার করছেন এই রাস্তা। এই রাস্তা দিয়েই নৃত্য অহরহ যাতায়াত করে থাকেন বিভিন্ন নেতা মন্ত্রী থেকে সরকারি আধিকারিক জনপ্রতিনিধিরা। প্রত্যেকের যাতায়াতের অসুবিধা হওয়া সত্ত্বেও কোনো হেলদোল নেই বিভাগীয় দপ্তরের। বাধ্য হয়েই স্থানীয় পুরসভার পক্ষ থেকে শান্তিপুর পৌরসভার পক্ষ থেকে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ব্যবস্থা নেওয়া উচিত বলে মনে করছেন তারা। এই বিষয়ে শান্তিপুর পুরসভার চেয়ারম্যান সুব্রত ঘোষ জানিয়েছেন,’আমরা ইতিমধ্যেই ভূমি ও ভূমি সংস্কার আধিকারিকের সঙ্গে কথা বলেছি। তাদের পুরো বিষয়টি জানানো হয়েছে। বলা হয়েছে,যখন যে এলাকায় মাটি কাটা হবে,সেটা পুরসভাকে জানানো হয়। সরকারিভাবে রয়েলটি দিয়ে মাটি কাটার পক্ষে আমাদের কোন আপত্তি নেই।কিন্তু রাস্তা দিয়ে মাটির গাড়ি চলার জন্য রাস্তার ওপর মাটি পড়ে বৃষ্টিতে কাদা এবং গরমে উড়ছে ধুলো। মানুষের চলাচলের অযোগ্য হয়ে উঠেছে। তাই মানুষের বিপদের কথা মাথায় রেখে তাদের কেউ সতর্ক হতে হবে রাস্তা পরিষ্কারের বিষয়’।

