নিজস্ব প্রতিবেদন, মৌমিতা দেবনাথ:
মিডডে মিলের খাবার চুরির অভিযোগে চাকদা সিলিন্দায় প্রধান শিক্ষিকাকে তালা বন্ধ করে গ্রামবাসীদের বিক্ষোভ,এবার মিড ডে মিলের খাবার চুরি করার অভিযোগ উঠলো চাকদা সিলিন্দার ২ নং গ্রাম পঞ্চায়েতে চাপাতলা প্রাথমিক বিদ্যালযয়ের প্রধান শিক্ষিকা ও স্কুলের আধিকারিকদের বিরুদ্ধে। আজ দুপুর একটা নাগাদ অভিভাবক এবং গ্রামবাসীরা প্রধান শিক্ষিকায় এবং স্কুলের আধিকারিকদের ঘরে দরজা বন্ধ করে তালা দিয়ে দেয়। অভিভাবকদের অভিযোগ যে দীর্ঘ প্রায় তিন বছর যাবত স্কুলের বাচ্চাদের মিড ডে মিলের খাবার তারা ঠিকমতো দেয় না। যেখানে বাচ্চাদের ডিম দেওয়ার কথা থাকে সেখানে ঠিকমতো ডিম দেওয়া হয় না এবং ১০০ গ্রাম তেড়ে আধা কাঁচা রান্না করা হয় পড়ুয়াদের জন্য। এছাড়াও স্কুল চত্বর তারা ঠিকমত পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখেনা মাঝেমধ্যেই স্কুল পরিদর্শনে এসে অভিভাবকরা দেখতে পায় যে তাদের বাচ্চাদের দিয়ে স্কুল ঝার দেওয়ার কাজ করাচ্ছে। আর পড়াশোনা তো একেবারে লাটে উঠেছে এই স্কুলে। অভিভাবকপ্রায় এসে মাঝেমধ্যেই দেখতে পায় যে স্কুলের শিক্ষকরা ঠিকমতো ক্লাস নিচ্ছে না পড়ুয়াদের এবং অফিস রুমে শিক্ষিকাদের চলছে চা বিস্কুটসহ দেদার আড্ডা। দীর্ঘক্ষণ স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা সহ অন্যান্য আধিকারিকদের তালা বন্ধ করে রাখার পর ঘটনাস্থলে পৌঁছায় চাকদহ থানার পুলিশ। এরপর পুলিশ প্রধান শিক্ষিকাকে হেফাজতে নিয়ে যায় এবং তাকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে। অপরদিকে স্কুলের শিক্ষিকাদের দাবি যে অত্যন্ত সতর্কভাবেই তারা স্কুলের মিড ডে মিল ব্যবস্থা চালায়। কিন্তু সকল গ্রামবাসীরা বলছে অন্য কথা, মিড ডে মিলের খাতায় দেখানো হয় প্রত্যেক দিন ডিম দেওয়া হচ্ছে মাংস দেওয়া হচ্ছে কিন্তু বাস্তবে আধা কাচা রান্না ছোট ছোট বাচ্চাদের খাওয়ানো হয়। ক্ষোভে ফেটে পড়েছে অভিভাবকরা যে দিনের পর দিন এভাবে আধা কাঁচা খাবার খাওয়ার ফলে বাচ্চারা অসুস্থ হয়ে যেতে পারে তখন তার দায় নেবে কে। আপাতত চাকদহ থানার পুলিশ প্রধান শিক্ষিকাকে তাদের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে এই সংক্রান্ত বিষয়ে।

