মলয দে নদীয়া:- ভ্যাকসিনের অভাব অভিযোগ নিয়ে জেলার বিভিন্নস্থানে ক্ষোভ বিক্ষোভ এর পরিমাণ একটু কমলেও, নদীয়ার চাকদহে ভ্যাকসিনের জন্য নিশিযাপন চলছে এখনো। পরেরদিন ভ্যাকসিন দেওয়া হবে বলে দুপুর তিনটে থেকে প্রাকৃতিক দুর্যোগ কে উপেক্ষা করেই লাইনে দাঁড়িয়ে প্রায় 300 জন। দ্বিতীয় ডোজের কারণে যার মধ্যে অধিকাংশই প্রবীণ ! সারারাত জেগে, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ এর মধ্যে প্রায় দাঁড়িয়ে কাটালেন তারা। এরপর ভোরের আলো ফুটতেই আশা জেগেছিল মনে, আরতো মাত্র কয়েক ঘন্টা! তারপরেই মিলবে ভ্যাকসিন। করোনার হাত থেকে রেহাই পাওয়ার মহৌষধি। কিন্তু সকাল আটটা নাগাদ জানা গেলো মাত্র 90 জনকে দেওয়া হবে, বাকিদের পরের দিন। তার মানে নতুন করে আবারও লাইন। সভাপতি বিক্ষোভে ফেটে পড়ে ভ্যাকসিন নেওয়ার লাইনে প্রতীক্ষায় থাকা প্রবীণরা। তাদের দাবি, কতজনকে দেওয়া হবে সে বিষয়ে, কোন নোটিশ টাঙ্গাইলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ, এমনকি যে সিভিক ভলেন্টিয়ার ডিউটি করে থাকে তাকে মাঝেমধ্যে একআধবার দেখা গেলেও সর্বক্ষণ পাওয়া যায়নি। ভারাক্রান্ত মন নিয়ে বাড়ি ফিরে যাওয়া প্রবীণরা ভিড়ে ঠাসা ঠাসি লাইনে দাঁড়িয়ে, করোনার প্রতিষেধক না পেয়ে , করোনায় সংক্রামিত হয়ে বাড়ি ফিরলেন নাতো! তাদের মতে, ভ্যাকসিন দেওয়ার তারিখ এবং সময় লিখে একটি কুপন দিয়ে দিলেই এ ধরনের কোনো সমস্যাই থাকতো না। একাধিকবার হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে জানিয়েও লাভ হয়নি কোনো। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ অবশ্য সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে বলেন, ভ্যাকসিনের সরবরাহ ঠিকঠাক থাকলে পাবে সকলেই! 84 দিনের পরেও সময়সীমা থাকে বেশ কিছুদিন, দুশ্চিন্তার কোনো কারণ নেই।

