ভারত ছাড়ো আন্দোলনের শহীদ স্মরণে নদীয়ার শান্তিপুরে পূর্ণিমা মিলনীর চিরন্তন ধারা অব্যাহত, আগামী ১১ই আগস্ট স্বাধীনতার ৭৫ বছর উপলক্ষে ৭৫ জনের রক্তদান কর্মসূচি

ভারত ছাড়ো আন্দোলনের শহীদ স্মরণে নদীয়ার শান্তিপুরে পূর্ণিমা মিলনীর চিরন্তন ধারা অব্যাহত, আগামী ১১ই আগস্ট স্বাধীনতার ৭৫ বছর উপলক্ষে ৭৫ জনের রক্তদান কর্মসূচি

মলয় দে নদীয়া :-১৯৪২ সালের ৮ই আগস্ট বোম্বেতে কংগ্রেসের ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠকে ঐতিহাসিক গণ আন্দোলন “ভারত ছাড়ো আন্দোলন” প্রস্তাব গৃহীত হয়। এই আন্দোলনের মূল নেতৃত্বে থাকা জাতির জনক মহাত্মা গান্ধী ঠিক তার পরের দিন অর্থাৎ আজ ৯ আগস্ট গোয়ালিয়রের ট্যাঙ্ক ময়দানে জাতির উদ্দেশ্যে সে কথাই ঘোষণা করেন। ঝাঁপিয়ে পড়েন সুচেতা কৃপালিনী, উষা মেহতা, কনক লতা বড়ুয়া, ভোগেশ্বরী দেবী, অরুনা আশরাফ আলী, রানি চন্দ্র, এলা দত্ত, সুনীতা সেন, মায়া ঘোষ ৭৩ বছর বয়সি গান্ধী বুড়ি নামে খ্যাত মাতঙ্গিনী হাজরাদের মত বহু দেশপ্রেমী। তারা উদ্বুদ্ধ হন, জীবনের বিনিময়ের হলেও স্বাধীনতা অর্জন করবেন। ভারতের বিভিন্ন রাজ্যের জানা-অজানা বহু স্বাধীনতা সংগ্রামী আত্ম বলিদান দেন নিজের জীবন। পরবর্তীতে আছে স্বাধীনতা।
সেই সমস্ত শহীদদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে নয়ই আগস্ট পালিত হয় ভারত ছাড়ো আন্দোলনের শহীদ স্মৃতিচারণা।
নদীয়ার শান্তিপুর পূর্ণিমা মিলনী শান্তিপুর ডাকঘর পৌর শিশু উদ্যানের তাদের উদ্যোগে স্থাপিত স্মৃতি তোরণে প্রতিবছর শ্রদ্ধার্ঘ নিবেদন করার সাথে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান করে থাকেন। এবছরও এই উপলক্ষে আগামী ১১ই আগস্ট সেনাবাহিনীদের উপস্থিতিতে স্বাধীনতার ৭৫ বছর পদার্পণ উপলক্ষে ৭৫ জনের রক্তদান কর্মসূচি গ্রহণ করেন।
আজ সংগঠনের সম্পাদক, শহীদদের স্মৃতিচারণা করেন আগামী প্রজন্মের উদ্দেশ্যে। কলকাতা প্রেস ক্লাবের সম্পাদক কিংশুক প্রামানিক শান্তিপুরের সুসন্তান হওয়ার সুবাদে, উপস্থিত ছিলেন এই অনুষ্ঠানে। তিনি বলেন বর্তমান প্রেক্ষাপটে দাঁড়িয়ে, শহীদদের আত্ম বলিদান দেওয়া স্বাধীনতা ভোগ করছে আমরা, এ ধরনের স্মৃতিচারণার অনুষ্ঠান সংখ্যায় অত্যন্ত কমে যাচ্ছে, যা জাতির ক্ষেত্রে দুর্ভাগ্যজনক। পূর্ণিমা মিলনীর সদস্যদের এ ধরনের আয়োজন এর জন্য সাধুবাদ জানান তিনি।