মৌমিতা দেবনাথ
দুই পরিবারের সম্মতিতে চাকদা থানার অন্তর্গত দরাপপুর পশ্চিম পাড়ার বাসিন্দা বছর কুড়ির সোনালী ঠাকুরের সাথে বিয়ে হয়, হরি আখির বাসিন্দা কিশোর দেবনাথের। বিয়ের পর মাত্র ন’দিন কাটতে না কাটতেই গত শনিবার নব বধূর ঝুলনতো দেহ উদ্ধার করল পুলিশ । পুলিশ সূত্রে জানা যায় ওই নব বধূর নাম সোনালী ঠাকুর বয়স 20 বছর বাড়ি দারাফপুর।শনিবার সকাল আনুমানিক সাড়ে ছটা নাগাদ রান্না ঘরের সিলিং ফ্যানে ওই নববধূর ঝুলন্ত দেহ দেখে পরিবারের লোকজন। তৎক্ষণাৎ তারা খবর দেয় চাকদা থানায়, পরে চাকদা থানার পুলিশ প্রশাসন মৃতদেহটি চাকদা স্টেট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
এ বিষয়ে মৃত ওই গৃহবধুর মামা শ্যামল বিশ্বাস জানিয়েছেন যে দুই পরিবারের সম্মতিতে বহু কষ্ট করে তিনি তার ভাগ্নিকে বিয়ে দিয়েছিলেন । শ্বশুরবাড়ির কারো সাথে কোন রকমে ঝামেলা অশান্তিও ছিল না তার।এমনকি তার ভাগ্নির অন্য কোথাও সম্পর্ক আছে কিনা সে বিষয়েও তার জানা নেই, কি কারনে তার ভাগ্নী এমন চরম সিদ্ধান্ত বেছে নিল তা বুঝে উঠতে পারছেন না।
প্রতিবেশী সুজিত সাহা জানিয়েছেন সকালে নিত্য দিনের মতোই বাড়ির কাজ করার পর রান্নাঘরে গিয়ে আত্মঘাতী হয়েছে সে।
প্রশ্ন উঠছে এই ন দিনে কি এমন ঘটে গেল যে এমন চরম সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হলেন সদ্য বিবাহিত মৃত গৃহবধূ। আজ মৃত দেহটি ময়নাতদন্তের জন্য কল্যাণী জহরলাল নেহেরু হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। নব বধুর স্বামী ও শাশুড়িকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ চালাচ্ছে পুলিশ। পুরো ঘটনাটা তদন্ত শুরু করেছে চাকদা থানার পুলিশ প্রশাসন।

