আলিপুরদুয়ার জেলার আলিপুরদুয়ার ১ নং ব্লকের শালকুমার হাট এক নং গ্রাম পঞ্চায়েতের ১২/৩ নং বুথের প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা ঘর সার্ভের দায়িত্ব পান আশা কর্মী বিভা সরকার। জানা যায় বিভা সরকার নাকি কোন বাড়িতে সার্ভে করতে যায়নি। বাড়িতে বসে বা কারো না কারো বাড়িতে বসে এমনকি শোনা যাচ্ছে আইসিডিএস সেন্টারে বসেও তিনি তার দায়িত্বে থাকা এলা সার্ভে করেছেন।ওই এলাকাবাসীর অভিযোগ কেন ওই আশা কর্মী বাড়িতে বসে বা আইসিডিএস সেন্টারে বসে আমাদের ঘরের সার্ভে করলেন। সে কি জানে আমরা কোন অবস্থায় আছি, কেমন করে চলি, আমাদের কি রকম অবস্থা, একইভাবে স্বামী হারা অত্যন্ত দরিদ্র পরিবারের ফরেস্ট লাগোয়া জিত্নি খেরিয়ার বাড়ি এক ঘরেই রান্নাবান্না এক ঘরেই শোয়ার ব্যবস্থা। কি করে এরকম পরিবার প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার ঘর থেকে বঞ্চিত হয়। একই রকম ভাবে অনেক পরিবার প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার ঘর থেকে বাদ পড়ে গেছে। তাই আজকে ওই এলাকার মহিলা পুরুষ মিলে আশা কর্মী বিভা সরকারের বাড়িতে ধরনায় বসলেন। জানা যায় বিভা সরকার তার বাচ্চাকে নিয়ে কুচবিহারে গেছেন। বিভা সরকারের স্বামী কৃষ্ণ সরকার বলেন এটা অঞ্চলের ব্যাপার এবং বিডি অফিসের ব্যাপার এখানে আমাদের কোন ব্যাপার নয়। পরক্ষণে আবার বিভা সরকারের স্বামী কৃষ্ণ সরকার বলেন হয়তো আমার স্ত্রীর ভুল হয়েছে আমি এ ব্যাপারে কিছু বলতে পারব না। খবর লেখা পর্যন্ত বিভা সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করলে, ভিভা সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি। যাদের যাদের নাম প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা থেকে বাদ পড়ে গেছে বা বাদ দেওয়া হয়েছে তারা কি বললেন।
শালকুমার থেকে মনোরঞ্জন রায়ের রিপোর্ট।

