মলয় দে নদীয়া :- নিয়োগ দুর্নীতির মামলায় ১৯১১ জন শিক্ষাকর্মীর চাকরি বাতিলের নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। শান্তিপুরে পাঁচটি বিদ্যালয়ে একজন করে গ্রুপ ডি কর্মীর নাম তালিকায় প্রকাশিত হয়েছে। যাদের মধ্যে দুজন , অন্য বিদ্যালয়ে ট্রান্সফার হয়ে যায়। বাকি দুজন কৃষ্ণনগর থেকে শান্তিপুরে চাকরি করতে আসতেন তবে, তালিকা প্রকাশের পর থেকে তারা আর বিদ্যালয়ে প্রবেশ করেননি। কিন্তু তালিকা প্রকাশ হওয়ার পরও নিয়মিত স্কুলে যাচ্ছিলেন নদিয়ার শান্তিপুর শান্তিপুর তন্তুবায় সঙ্ঘ উচ্চ বিদ্যালয়ের ডি গ্রুপের কর্মী আনসার শেখ।
গত শুক্রবারও প্রতিদিনের মতোই স্কুলে গিয়েছিলেন আনসার সেখকে। যদিও তারপর থেকে এখন আর বিদ্যালয়ে দেখা যায়নি ওই শিক্ষা কর্মীদের।
তবে সেদিনের স্কুলের রেজিস্ট্রি খাতায় সইও করেন তিনি।
বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা রুমা পন্ডিত বলেন, শিক্ষকতা পেষাকে কলুষিত করছে এনাদের মতন মুষ্টিমেয় অযোগ্যরা। দুর্নীতি করে ভূয়ো শিক্ষক হয়ে আগামীর ভবিষ্যৎ নষ্ট করছে। তবে একজন সহকর্মী চাকরি যাওয়া, বেদনাদায়ক হলেও হাজার হাজার যোগ্যতা সম্পন্ন সর্বশিক্ষকরা দিনের পর দিন রাস্তায় রাত কাটাচ্ছে, ন্যায্য অধিকার পেতে তাদের উপর নেমে আসছে অত্যাচার, তার কিছুটা পরিত্রান হবে ভেবে আনন্দ লাগছে।
অপর এক শিক্ষক দেবাশীষ বিশ্বাস, ঘটনার তীব্র নিন্দা করে বলেন, ছেলেমেয়েরা লেখাপড়া করে জায়গা অর্জন করতে পারছে না সেখানে এ ধরনের অযোগ্য ব্যক্তিরা অসৎ উপায়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মতন একটি জায়গায় শিশুদের ভবিষ্যৎ তৈরি করবে এটা মেনে নেয়া যায়না। বিচার ব্যবস্থাকে ধন্যবাদ জানাই।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক, এক শিক্ষক বলেন , বিদ্যালয় চলাকালীন তাকে বিভিন্ন সময়ে অপর একটি কাজের সাথে যুক্ত থাকতে দেখা গেছে মাঝেমধ্যেই। সেক্ষেত্রেও ঔদ্ধত্ত্ব প্রকাশ পেয়েছেলো।
যদিও ,এ প্রসঙ্গে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ছিলেন নিরব। এমন কি বিদ্যালয় কালিমালিপ্ত হওয়া ওই শিক্ষা কর্মী প্রসঙ্গে কোনো প্রতিক্রিয়া দিতে চাননি তিনি। একটি বিদ্যালয়ের সর্বময় কর্তা হয়ে, নীরব থাকা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে উড়ছে প্রশ্ন। বিজেপির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এভাবেই মৌন থেকে, শিক্ষা ব্যবস্থা আজ ধ্বংসের মুখে।নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তালিকায় নাম থাকা সত্ত্বেও, শিক্ষা কর্মীর উপস্থিতি স্বাক্ষর প্রসঙ্গে, নিরব প্রধান শিক্ষক

