নদীয়ার হরিণঘাটায় বাড়ির সোপ ট্যাংক থেকে উদ্ধার পচা গলা মৃতদেহ

নিজস্ব প্রতিবদন, মৌমিতা দেবনাথ,

নদীয়ার হরিণঘাটায় বাড়ির সোপ ট্যাংক থেকে উদ্ধার পচা গলা মৃতদেহ,বাড়ির শোপ ট্যাংক থেকে উদ্ধার হল বছর ৩৮ এর সুশান্ত পাল ওরফে আজিজুল মন্ডলের পচা গলা মৃতদেহ। ঘটনাটি হরিণঘাটা বিধানসভার অন্তর্গত মোল্লাবেলিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের অধীনস্ত মাঝেরপাড়া গ্রামে। সুশান্ত পাল নামে ওই ব্যক্তির নিজের বাড়ি থেকে তার মৃতদেহটি খুঁজে বের করল এলাকাবাসীরা। এরপর স্থানীয় থানায় খবর দেওয়া হয় এবং পুলিশ মৃতদেহটি উদ্ধার করে। এই ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন কারণ পুলিশ ঘটনাস্থলেও মৃতদেহ খুঁজে বের করতে ব্যর্থ হয়। স্থানীয় বাসিন্দারা বারংবার অভিযোগ জানায় যে বাড়িতেই রয়েছে সুশান্ত মৃতদেহ কিন্তু পুলিশ কিছুতেই তা মানতে নারাজ। বাড়ির পেছনে মৃত ব্যক্তির মেয়ের দেখানো জায়গায় মাটি খুঁড়ে গতকাল বিকেলে ঘটনাস্থল ছাড়ে পুলিশ প্রশাসন এবং আটক করা অভিযুক্ত হামেদা বিবিকে ছেড়ে দেয় পুলিশ। এরপর হামেদা বিবি ফিরে আসে মাঝের পাড়ায় এই বাড়িতে। তাতেই এলাকাবাসীরা খেপে ওঠে এবং তারা মৃত সুশান্ত পালের দেহ খোঁজার জন্য প্রস্তুত হয়। সন্ধ্যার পর ঘন্টা দেড়েকের খোঁজা খুঁজিতে সুশান্ত পালের বাড়ির মধ্যেই শোপ ট্যাংকিতে দেখতে পায় তার পচা গলা মৃতদেহ এলাকার যুবক দ্বীপ বিশ্বাস। এরপর এলাকার সকলে মিলে সেই মৃতদেহ উদ্ধার করার জন্য ফোন করে হরিণঘাটা থানায়। ঘটনাস্থলে আসে হরিণঘাটা থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী এবং হরিণঘাটা ব্লক উন্নয়ন আধিকারিক অনির্বাণ মজুমদার প্রশাসনের সামনেই প্রশাসনের বিরুদ্ধে খবর দেয় স্থানীয় বাসিন্দারা। এরপর পুলিশের ভূমিকা নিয়েও তারা প্রশ্ন তোলে। যদিও তারই মধ্যে সোপ ট্যাংক থেকে সুশান্ত পালের পচা গলা মৃতদেহ উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয়। নদীয়ার হরিণঘাটা গ্রামীণ হাসপাতালে দেহটি রাখা হয় মর্গে। আজ বুধবার সকাল হতে সুশান্ত পালে মৃতদেহ পাঠানো হলো কল্যাণী জহরলাল নেহেরু মেমোরিয়াল হাসপাতালে। এরপর মৃতদেহটি ময়না তদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।