সত্তর কোটি টাকা খরচা করে নদীয়ার কৃষ্ণনগরে জল প্রকল্প গড়ে তোলা হয়েছে কিন্তু একি অবস্থা যে পানীয় জল পাওয়া যাচ্ছে তা থেকে বেরোচ্ছে পাট পচা দুর্গন্ধ কখনো আবার জলের সাথে পড়ছে পোকা। কিন্তু বাধ্য হয়ে সেই জল স্থানীয়দের ব্যবহার করতে হচ্ছে। আর এই অভিযোগ আসা মাত্রই গত মাস থেকে জল সরবরাহ বন্ধ করেছে কৃষ্ণনগর পৌরসভা।
জানা গেছে ভাগীরথী থেকে জল পরিশোধন করে পাইপ লাইনে করে তা প্রতি বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হয়। সেই জল প্রকল্প অবস্থিত কৃষ্ণনগর থেকে প্রায় ১৬ কিলোমিটার দূরে স্বরূপ গঞ্জে। এই স্বরূপনগরেই ভাগীরথীর সাথে মিশেছে জলঙ্গি নদী। বর্ষার সময় জলঙ্গি নদীতে পাট পচানো হয় আর সেখান থেকেই দূষিত জলে বের হয় দুর্ঘটনা আর সেই দুর্গন্ধ যুক্ত জলই পাইপ লাইনের মাধ্যমে পৌঁছে যাচ্ছে প্রতি বাড়িতে। স্থানীয়রা জানিয়েছেন এই জল খাওয়ার পরে গত বছরই নাকি একজনের মৃত্যু হয়েছে। জল সরবরাহ বন্ধ করায় সংকট বেড়েছে জলের আর সেই সংকট মেটাতে ভূগর্ভস্থ জল সরবরাহ শুরু করেছে কৃষ্ণনগর পৌরসভা। তবে ঘটনায় তৃণমূলকে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি বিজেপি। কৃষ্ণনগর পৌরসভার তৃণমূলের চেয়ারপার্সন জানিয়েছেন যে এ বিষয়ে আলোচনা চলছে আশা করি আগামী দিনে জলের সমস্যা মিটে যাবে। কিন্তু স্থানীয়দের প্রশ্ন কবে মিটবে? দীর্ঘদিন যাবত জল সংকটে ভুগছেন তারা কখনো বাবার জল কিনে খেতে হচ্ছে আর যারা কিনতে পারছেন না তারা বাধ্য হয়েই নোংরা জল খাচ্ছেন।

