দীর্ঘদিনের কংগ্রেসের দখলে থাকা গড় দখল নিল শাসকদল তৃণমূল।ব্লক তৃণমূল সভাপতির উপস্থিতিতে কংগ্রেস ছেড়ে ঘাসফুলের পতাকা স্বেচ্ছায় হাতে তুলে নিল যোগদানকারীরা।শনিবার রাতে যোগদানসভাটি অনুষ্ঠিত মালদহের চাঁচল-১ নং ব্লকের মহানন্দাপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের দক্ষিণপাকা-মল্লিকপাড়া হাইস্কুলে।লোকদেখানো যোগদান,পুরোটাই সাজানো গোছানো নাটক,দাবি কংগ্রেসের।
আসন্ন ত্রিস্তর পঞ্চায়েত নির্বাচনে আগে তৃণমূলের যোগদান সভাকে ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর।
মালদহের চাঁচল-১ নং ব্লকের মহানন্দাপুয গ্রাম পঞ্চায়েত দীর্ঘদিন কংগ্রেসের দখলে ছিল।বছর খানেক আগে ওই পঞ্চায়েত থেকে কংগ্রেস প্রধানকে অপসারিত করে দখল নেয় তৃণমূল।ফের আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে মহানন্দাপুর রাজনৈতিক মানচিত্রে বদলাচ্ছে সমীকরণ।নির্বাচনের কয়েকমাস আগেই ঘটলো বড়সড় ভাঙন।কংগ্রেস কর্মীরা বিক্ষুদ্ধ হয়ে যোগ দিলেন তৃণমূলে।ব্লক তৃণমূল সভাপতি আফসার আলি,এসসিএস ওবিসি জেলা সভাপতি অমল চন্দ্র মণ্ডল ও অঞ্চল তৃণমূলের চেয়ারম্যান এরশাদ আজমের হাত ধরে ধঞ্জনা গ্রামের দেড় শতাধিক কংগ্রেস কর্মী ঘাসফুল শিবিরে যোগদান করেছে।এমনটাই দাবি করা হয়ে ব্লক তৃণমূল নেতৃত্বের তরফে।
গত পঞ্চায়েত নির্বাচনের পর কংগ্রেসের পঞ্চায়েত থাকাই এলাকায় কোনো উন্নয়ন মূলক কাজ হয়নি।কংগ্রেসে থেকে কোনো সরকারি সুবিধা পাচ্ছিলাম না।উন্নয়নের বদলে শুধু হয়েছে অনুন্নয়ন।এমনটাই দাবি করলেন তৃণমূলে যোগদানকারী ইন্নাল আলী।
চাঁচল-১ নং ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস কমিটির সভাপতি শেখ আফসার আলী বলেন,চারবছর পঞ্চায়েত কংগ্রেসের দখলে থাকাই হয়নি কোনো উন্নয়ন।নিকাশি নালা থেকে শুরু করে রাস্তাঘাট,সবকিছুই মুখ থুবড়ে পড়ে রয়েছে।সেই জবাব মানুষ ভোট বাক্সে দিবে।মহানন্দাপুরে বিরোধী শূণ্য হবে এবার।
এদিকে চাঁচল-১ নং ব্লক কংগ্রেস কমিটির সাধারণ সম্পাদক কাজি আতাউর রহমান কটাক্ষের সুরে বলেন,যারা যোগদান করেছে তারা কংগ্রেসের কেউনা।নিজেদের লোককে দেখিয়ে নাটক করছে তৃণমূল।ঘর পাইয়ে দেওয়া থেকে শুরু করে সরকারি প্রকল্পের সুবিধার টোপ দিয়ে তৃণমূলে টানা হচ্ছে।জোরপূর্বক ভাবে টানা হিচড়ে করা তৃণমূলের সংস্কৃতি।সারা রাজ্য জানে এরা দুর্নীতি এবং তোলাবাজের দল।মহানন্দপুর এলাকার মানুষ হয়তো সেটা জানেননা।তাই ভুল বুঝে তৃণমূলে গেছে।

