তিন মদ্যপ পূরনার্থীর তান্ডবে, বাসের সাঁকো ভেঙে চূর্ণী নদীতে বোলারো গাড়ি , বিপর্যস্ত নদী পারাপার

মলয় দে নদীয়া :-বাঁশের ব্রিজ ভেঙে চূর্ণি নদীতে তলিয়ে গেল বোলেরো গাড়ি ঘটনা নদীয়ার কৃষ্ণগঞ্জ থানার এলাকার শিব নিবাস মন্দির ঘাটে।
গতকাল রাত্রি আনুমানিক দশটা নাগাদ তিন মদ্যপ ব্যক্তি শিবনিবাস মন্দির থেকে কৃষ্ণনগর যাবার ব্রিজ থাকলেও শিব নিবাস মন্দির থেকে কৃষ্ণগঞ্জ যাবার ব্রিজ থাকলেও নড়বড়ে কাঠের ব্রিজ দিয়ে পারাপার করার চেষ্টা করে তারা। স্থানীয় ঘাট মালিক বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলেও সে বাধাকে অতিক্রান্ত করে নদীর মাঝখানে যেতেই হুর মুড়িয়ে ব্রিজ ভেঙে চার চাকা বোলেরো গাড়ি উল্টে গেল চূর্ণী নদীতে। বাসের দুর্বল ব্রিজ ভাঙার শব্দে ছুটে আসে নদীর তীরের বাসিন্দারা । ততক্ষণে চূর্ণী নদীর জলে তলিয়ে গেছে আস্ত চারচাকা বোলেরো গাড়ি। স্থানীয়দের তৎপরতায় গাড়ির মধ্যে থাকা তিন ব্যক্তিকে উদ্ধার করে কৃষ্ণগঞ্জ পুলিশের হাতে তুলে দেয় গ্রামবাসীরা । এই তিনজনের মধ্যে একজনার বাড়ি বর্ধমানের অগ্রদ্বীপে অপরজন নাকাশিপাড়ায় বাকি আরেকজনার বাড়ির কোথায় খোঁজ করছে কৃষ্ণগঞ্জ থানার পুলিশ। যদিও মদ্যপ আহত তিন ব্যক্তিকে আটক করে রাখা হয়েছে কৃষ্ণগঞ্জ থানায়। কৃষ্ণগঞ্জ থানার পুলিশ তিন ব্যক্তির কে জেরা করে জানার চেষ্টা করছেন কি কারনে কোথা থেকে কি উদ্দেশ্যে তারা এই ব্রিজ টপকানোর চেষ্টা করেছিলেন । ঘাট মালিকের সন্দেহ ৫০০ মিটার দূরে পাকা ব্রিজ থাকা সত্ত্বেও কি উদ্দেশ্যে এই বাঁশের ব্রিজের ওপর দিয়ে গাড়ি তুলে দেওয়া হলো । মূলত এই ব্রিজ দিয়ে সাইকেল যাত্রী ও মোটরসাইকেল পারাপার হয় । এই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে কৃষ্ণগঞ্জ থানার পুলিশ যেহেতু সীমান্ত লাগোয়া এলাকার ঘটনা । অন্য কোন উদ্দেশ্য আছে কিনা জানার চেষ্টা করছে পুলিশ প্রশাসন । তবে বাঁশের ওই সাঁকো ভেঙে যাওয়ায় নাকাল এলাকাবাসী। আজ সকাল থেকেই কৃষক সাধারণ মানুষ থেকে ছাত্র-ছাত্রী প্রত্যেকেই নদী পারাপার করছেন অনেকটা ঘুরে।